📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৃষ্টির দিনে নুহাশপল্লীর পথে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা

বৃষ্টির দিনে নুহাশপল্লীর পথে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বৃষ্টির এক দিনে হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের চরিত্র হওয়ার ইচ্ছা নিয়ে নুহাশপল্লী যাত্রা শুরু করেছিলেন লেখিকা। যানজট আর বিপর্যস্ত আবহাওয়ার মধ্যেও স্থানীয়দের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে তিনি ফিরে আসেন নিজের জীবনের গল্পের মতোই এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসের মাঝখানে হঠাৎই ইচ্ছা হলো, হুমায়ূন আহমেদের কোনো উপন্যাসের চরিত্র হয়ে যাই। কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই স্যারকে জরুরি কাজের কথা বলে বেরিয়ে পড়লাম নুহাশপল্লীর উদ্দেশ্যে। দুপুর একটার দিকে যাত্রা শুরু করলেও প্রচণ্ড রোদ আর যানজটে পথ চলা কঠিন হয়ে উঠছিল। কিছুদূর যেতেই শুরু হলো মুষলধারে বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল না কোনো ছাতা। কয়েকবার যানবাহন বদলানোর পর বিকেল গড়িয়ে গেলেও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসের মাঝেই হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের চরিত্র হওয়ার ইচ্ছা জাগে লেখিকার মনে
  • 📌 দুপুর একটার দিকে নুহাশপল্লীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেও মুষলধারে বৃষ্টি ও যানজটে পথ চলা কঠিন হয়ে ওঠে
  • 📌 বাসে দুই আন্টির সঙ্গে পরিচয় হয়, যাঁরা নিজেদের বাড়ির কাছেই নুহাশপল্লীর অবস্থান জানান
  • 📌 বিকেলের দিকে নুহাশপল্লীতে পৌঁছালেও সংস্কারের কাজ চলায় প্রবেশাধিকার পাওয়া যায়নি
  • 📌 পরিচিত লেখকের মাধ্যমে মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়
  • 📌 শেষ পর্যন্ত ম্যানেজারের অনুমতিতে প্রবেশাধিকার মিললেও একা লীলাবতী দীঘির পাড়ে অনেকক্ষণ বসে থাকতে হয়
  • 📌 হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীর দিন সমাধির ওপর শুকিয়ে না যাওয়া ফুল দেখে লেখিকার আবেগাপ্লুত হওয়া
  • 📌 ভেজা কাগজ থেকে পাওয়া ‘বাবাকে, নিষাদ’ লেখাটি লেখিকার মনে গভীর প্রভাব ফেলে
  • 📌 দুই আন্টির আন্তরিক অনুরোধে তাঁদের বাড়িতে রাত কাটান লেখিকা
  • 📌 পরদিন ভোরে পাশের বিল দেখতে গিয়ে প্রকৃতির নির্মল সৌন্দর্যে মুগ্ধ হওয়া

📰 বিস্তারিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের চরিত্র হওয়ার ইচ্ছা জাগে লেখিকার মনে। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই তিনি স্যারকে জরুরি কাজের কথা বলে বেরিয়ে পড়েন নুহাশপল্লীর উদ্দেশ্যে। দুপুর একটার দিকে যাত্রা শুরু করলেও প্রচণ্ড রোদ আর যানজটে পথ চলা কঠিন হয়ে ওঠে। কিছুদূর যেতেই শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল না কোনো ছাতা। কয়েকবার যানবাহন বদলানোর পর বিকেল গড়িয়ে গেলেও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি লেখিকা।

বাসে দুই আন্টির সঙ্গে পরিচয় হয় লেখিকার। তাঁরা জানান, তাঁদের বাড়িও নুহাশপল্লীর কাছাকাছি। তাঁদের সঙ্গে হাঁটতে শুরু করলেন লেখিকা। তখনো অবিরাম বৃষ্টি থামছিল না। আন্টিরা লেখিকার জন্য ভীষণ দুশ্চিন্তা করতে থাকেন। তাঁরা বলেন, ‘দেখো মা, আমাদেরও তো একটা মেয়ে আছে। আজ যদি ও এমন বিপদে পড়ত? তুমি আজ রাতটা আমাদের বাড়িতে থেকে যাও।’

সন্ধ্যার একটু আগে নুহাশপল্লীতে পৌঁছান লেখিকা। গিয়ে দেখেন, সংস্কারের কাজ চলছে। কাউকেই ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। পরিচিত একজন লেখকের মাধ্যমে মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত ম্যানেজারকে ডেকে নিজের পরিচয় দেওয়ার পর তিনি ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেন। তারপর অনেকক্ষণ একা বসে থাকেন লীলাবতী দীঘির পাড়ে। চারপাশে শুধু বৃষ্টির শব্দ।

হুমায়ূন আহমেদের সমাধির সামনে গিয়ে দাঁড়ান লেখিকা। তিনি জানান, যাওয়ার আগের দিনই ছিল তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। সমাধির ওপর তখনো শুকিয়ে না যাওয়া ফুলগুলো পড়ে ছিল। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো একের পর এক সেই সমাধির ওপর পড়ছিল। লেখিকা মনে করেন, যিনি বৃষ্টিকে এত ভালোবাসতেন, তিনি যেন এখনো বৃষ্টিবিলাস করে চলেছেন।

ঠিক তখনই পানিতে ভেসে আসা একটি ছেঁড়া, ভেজা কাগজ তুলে দেখেন, তাতে লেখা ছিল ‘বাবাকে, নিষাদ।’ তিনি বলেন, ‘একটুকরা ভেজা কাগজও কখনো কখনো কত গল্প বলে যেতে পারে!’

"আমাদের দেশটা এখন মেয়েদের জন্য নরকের চেয়েও বিষাক্ত হয়ে গেছে। যদি মেয়ে না হতাম, তাহলে কী সুন্দর এ দেশে বসবাস করতে পারতাম!"

পরদিন ভোরে লেখিকা বের হন পাশের বিল দেখতে। যত দূর চোখ যায়, সবুজ আর জল। পানির ওপর ভেসে ছিল শাপলা। প্রকৃতির দিকে নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করছিল তাঁর। তবে বেশিক্ষণ থাকেননি। প্রকৃতির খুব কাছে গেলে মানুষ নিজের ভেতরের একাকিত্বটাকেও যেন আরও স্পষ্ট করে অনুভব করে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নুহাশপল্লী, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখিকা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖