📌 প্রথম আলো ও এসএমসি আয়োজিত গোলটেবিলে জানানো হয় — ডায়রিয়ায় মৃত্যুহার ৪% থেকে কমেছে ওরস্যালাইনের কারণে। ৪৭% পানির উৎসে ই-কোলাই।
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়ছে — এর প্রভাবে বাড়ছে তীব্র তাপপ্রবাহ, ঘটছে তাপজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পানিশূন্যতা। অতিরিক্ত তাপে খাবারের মান নষ্ট হয়ে ডায়রিয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা উভয় ক্ষেত্রে খাওয়ার স্যালাইন আক্রান্তের শরীরে শক্তি জোগায়। গতকাল রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে 'জলবায়ু পরিবর্তন ও তীব্র তাপপ্রবাহে ওরস্যালাইন ব্যবহারে সচেতনতা' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ুবিশেষজ্ঞরা — এসএমসি ওরস্যালাইন ও প্রথম আলো এই গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করে।
🔴 মূল পয়েন্ত
- 📌 আয়োজক: এসএমসি ওরস্যালাইন ও প্রথম আলো — কারওয়ান বাজার, রোববার।
- 📌 ডায়রিয়া মৃত্যুহার: ৪% (বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে) — নিউমোনিয়ায় ৪০%।
- 📌 ডা. সুকুমার রায়: খাওয়ার স্যালাইন ফ্রন্টলাইন ইন্টারভেনশন — পরিবারের যে কেউ দিতে পারেন।
- 📌 তছলিম উদ্দীন খান (এসএমসি CEO): সাড়ে তিন দশক আগে ডায়রিয়া নাম্বার ওয়ান কিলার ছিল।
- 📌 হাসিন জাহান (ওয়াটার এইড): ৪৭% পানির উৎসে ই-কোলাই; ব্যবহারস্থলে ৮৫%।
- 📌 সায়েফ উদ্দিন নাসির (এসএমসি এন্টারপ্রাইজ MD): তাপপ্রবাহে পানিশূন্যতা, অতিবৃষ্টিতে ডায়রিয়া — দুটোতেই স্যালাইন গুরুত্বপূর্ণ।
📰 বিস্তারিত
আলোচনায় অংশ নিয়ে জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. সুকুমার রায় বলেন, খাওয়ার স্যালাইনকে বলা হয় ফ্রন্টলাইন ইন্টারভেনশন — মানে এটি পরিবারের যে কেউ রোগীকে দিতে পারেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অতিরিক্ত ঘাম, তাপজনিত ক্লান্তি ও হিটস্ট্রোকের মতো পরিস্থিতি হয় — এসব ক্ষেত্রে খাওয়ার স্যালাইনের প্রয়োগ কেমন হবে, সেটা জানা থাকা উচিত। সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির (এসএমসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তছলিম উদ্দীন খান বলেন, সাড়ে তিন দশক আগে যখন তারা শুরু করেন, তখন ডায়রিয়া ছিল নাম্বার ওয়ান কিলার। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভেতে দেখা গেছে, ডায়রিয়ায় মৃত্যুহার ৪ শতাংশ — নিউমোনিয়ায় ৪০ শতাংশ। ডায়রিয়ায় মৃত্যু কমার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ওরস্যালাইনের।
ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান একটি গবেষণার উপাত্ত তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে পানির উৎসের প্রায় ৪৭ শতাংশে ই-কোলাই জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া যায় — ব্যবহারস্থলে এই হার বেড়ে প্রায় ৮৫ শতাংশে পৌঁছায়। এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েফ উদ্দিন নাসির বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহ ও অতিবৃষ্টি দুটোতে খাওয়ার স্যালাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
"ডায়রিয়ায় মৃত্যুহার ৪ শতাংশ — নিউমোনিয়ায় ৪০ শতাংশ। ডায়রিয়ায় মৃত্যু কমার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ওরস্যালাইনের।" — তছলিম উদ্দিন খান, CEO, এসএমসি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- আয়োজক: এসএমসি ওরস্যালাইন ও প্রথম আলো
- স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- ডায়রিয়া মৃত্যুহার: ৪% (BDHS); নিউমোনিয়া: ৪০%
- পানির উৎসে ই-কোলাই: ৪৭%; ব্যবহারস্থলে: ৮৫%
- বক্তা: ডা. সুকুমার রায়, তছলিম উদ্দীন খান (এসএমসি CEO), হাসিন জাহান (ওয়াটার এইড), সায়েফ উদ্দিন নাসির (এসএমসি MD)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!