📌 ভুয়া আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট সরবরাহের অভিযোগে আলী ফুয়াদ পাশা বাবুলের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অটোমোবাইল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে বিদেশগামীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন
অটোমোবাইল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী ফুয়াদ পাশা বাবুল ভুয়া আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট সরবরাহের মাধ্যমে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদেশগামী ব্যক্তিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়ে তিনি এই পারমিট সরবরাহ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভুয়া আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট সরবরাহের অভিযোগে আলী ফুয়াদ পাশা বাবুলের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 অটোমোবাইল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করে জালিয়াতি করছেন।
- 📌 বিদেশগামী ব্যক্তিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়ে পারমিট সরবরাহ করা হচ্ছে।
- 📌 তার বিরুদ্ধে ভুয়া পারমিট সরবরাহ, জালিয়াতি এবং অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
- 📌 রাজধানীর মিরপুর-১২ এর পল্লবী এলাকায় তার ১১টি ফ্ল্যাট, শান্তিনগরে একটি পাঁচতলা বাড়ি এবং উত্তরা সেক্টর-১৩ এ কয়েক দাগ জমির মালিকানা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বিদেশগামী ব্যক্তিদের জন্য আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত এক বছর গাড়ি চালাতে হলে এই পারমিটের প্রয়োজন হয়। অটোমোবাইল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এএবি) এই পারমিট সরবরাহ করে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কর্মকর্তা আলী ফুয়াদ পাশা বাবুল এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভুয়া পারমিট সরবরাহ করে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এএবির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে তাকে বাদ দেয়া হলেও তিনি এখনো প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করে জাল স্বাক্ষর এবং ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট ইস্যু করছেন। গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পাশাপাশি তিনি প্রতিষ্ঠানের নম্বর এবং সিল ব্যবহার করছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আলী ফুয়াদ পাশা বাবুলের নিজের নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। তার নামে মিরপুর-১২ এর পল্লবী এলাকায় ১১টি ফ্ল্যাট, শান্তিনগরে একটি পাঁচতলা বাড়ি, মিরপুর ডিওএইচএসে একটি ফ্ল্যাট, মিরপুরের মাটিকাটায় একটি প্লট এবং উত্তরা সেক্টর-১৩ এর নলগোলা এলাকায় কয়েক দাগ জমির মালিকানা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারে তার একটি বিলাসবহুল হোটেলে অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
"ভুয়া পারমিট সরবরাহের মাধ্যমে আলী ফুয়াদ পাশা বাবুল বিদেশগামী ব্যক্তিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন। তার বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী ফুয়াদ পাশা বাবুল, বিদেশগামী ব্যক্তিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা, ১১টি ফ্ল্যাট, ৩টি বাড়ি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!