📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শচীনকর্তা: বাংলার মাটি ও লোকসুরের সুরকার যিনি ৫১ বছর আগে চিরনিদ্রায় নিমজ্জিত হন

শচীনকর্তা: বাংলার মাটি ও লোকসুরের সুরকার যিনি ৫১ বছর আগে চিরনিদ্রায় নিমজ্জিত হন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শচীন দেববর্মন, যিনি বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে শচীনকর্তা নামে পরিচিত, ১৯৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। হিন্দি সিনেমার ‘দাদা বর্মন’ হিসেবে পরিচিত এই সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক লোকসুর ও শাস্ত্রীয় সংগীতের মিশ্রণে বাংলার মাটির সুর গেয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৩১ অক্টোবর

বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে শচীনকর্তা নামে পরিচিত শচীন দেববর্মন ১৯৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর মুম্বাইয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এই দিনই আজ তাঁর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী। শচীন দেববর্মন ছিলেন একজন সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক। তাঁর সুরে মিশে ছিল বাংলার নদী, মাটি ও সাধারণ মানুষের জীবনের টান। তাঁর সৃষ্টিতে প্রেম ও বিরহের গান থেকে শুরু করে লোকসুরের সহজ আবেদন পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বতন্ত্র ছাপের।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন শচীন দেববর্মন, যিনি বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে ‘শচীনকর্তা’ নামে পরিচিত।
  • 📌 শচীন দেববর্মন ছিলেন হিন্দি সিনেমার ‘দাদা বর্মন’ হিসেবে পরিচিত, কিন্তু তাঁর সুরে বাংলার লোকসুর ও মাটির টান ছিল অপরিহার্য।
  • 📌 ১৯৩২ সালে হিন্দুস্থান রেকর্ড থেকে প্রকাশিত তাঁর প্রথম রেকর্ডে ছিল লোকসুরভিত্তিক ও রাগপ্রধান দুটি গান।
  • 📌 শচীনকর্তার কণ্ঠে শুনতে পাওয়া যায় বাংলার পূর্ববঙ্গের উচ্চারণ ও লোকগানের রেশ, যা তাঁকে অনন্য করে তোলে।
  • 📌 ১৯৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর মুম্বাইয়ে মৃত্যুবরণ করেন শচীন দেববর্মন, বয়স ৬৯ বছর।
  • 📌 শচীনকর্তার সন্তান রাহুল দেববর্মন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, বাবাকে পথে দেখে একজন বলেছিলেন, ‘ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে!’ এই পরিচিতি বাবাকে গর্বিত করেছিল।

📰 বিস্তারিত

শচীন দেববর্মনের জন্ম হয়েছিল ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লায়। তাঁর বাবা নবদ্বীপচন্দ্র দেববর্মন ছিলেন ত্রিপুরার রাজপরিবারের সদস্য এবং মা নির্মলা দেবী মণিপুরের রাজকন্যা। শৈশবে তাঁর সংগীতবোধ গড়ে উঠেছিল চারপাশের লোকসুরের মধ্য দিয়ে। বাড়ির প্রবীণ সহায়ক মাধবের কণ্ঠে শুনতেন রামায়ণের গান এবং মাছ ধরার সঙ্গী আনোয়ার দোতারা বাজিয়ে গাইতেন ভাটিয়ালি। এই লোকসুরের অভিজ্ঞতা তাঁকে পরবর্তী জীবনে সুরকার হিসেবে গড়ে তুলেছিল।

কলকাতার ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ১৯২৪ সালে বিএ পাস করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় যান শচীন। তবে এমএ শেষ করেননি। তিনি সংগীতেই নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেন। লোকগানের সঙ্গে তাঁর পরিচয় শৈশবেই হলেও শাস্ত্রীয় সংগীতের শিক্ষা পান তিনি কৃষ্ণচন্দ্র দে, ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়, ওস্তাদ বাদল খাঁ ও ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর মতো গুণীজনের কাছ থেকে। এই দুই ধারার সংমিশ্রণ তাঁর সুরে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

১৯৩২ সালের সেপ্টেম্বরে হিন্দুস্থান রেকর্ড থেকে প্রকাশিত তাঁর প্রথম রেকর্ডে ছিল দুটি গান। একটি ছিল হেমেন্দ্রকুমার রায়ের লেখা ‘ডাকলে কোকিল রোজ বিহানে’ এবং অন্যটি শৈলেন রায়ের ‘এ পথে আজ এসো প্রিয়’। একটি লোকসুরভিত্তিক এবং অন্যটি রাগপ্রধান। এই রেকর্ডেই তাঁর পরবর্তী সংগীতজীবনের পথরেখা ধরা পড়েছিল।

শচীন দেববর্মন ছিলেন একজন বহুমুখী শিল্পী। তিনি ছিলেন সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক। তাঁর কণ্ঠে শুনতে পাওয়া যায় বাংলার পূর্ববঙ্গের উচ্চারণ ও লোকগানের রেশ। তাঁর গায়কিতে শব্দগুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। কখনো একটি শব্দ দীর্ঘ করে টানেন, কখনো ছোট্ট বিরতি দিয়ে পরের কথাটির আকুতি বাড়িয়ে তোলেন। এই বৈশিষ্ট্য তাঁকে অনন্য করে তোলে।

শচীনকর্তার সন্তান রাহুল দেববর্মন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, বাবাকে পথে দেখে একজন বলেছিলেন, ‘ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে!’ এই পরিচিতি বাবাকে গর্বিত করেছিল। এতদিন মানুষ তাঁকে চিনতেন ‘এসডি বর্মন’ হিসেবে, কিন্তু আজ চিনতেন ‘আর ডি বর্মনের বাবা’ বলে।

"ওই যে আর ডি বর্মনের বাপ যাচ্ছে! কথাটি শুনে আনন্দে ভরে উঠল বাবার মন। বাড়ি ফিরে ছেলেকে শোনালেন ঘটনাটি। এত দিন মানুষ তাঁকে চিনেছে এসডি বর্মন হিসেবে। আজ চিনেছে আর ডি বর্মনের বাবা বলে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা, কলকাতা, মুম্বাই
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শচীন দেববর্মন (শচীনকর্তা), রাহুল দেববর্মন, নির্মলা দেবী, নবদ্বীপচন্দ্র দেববর্মন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ অক্টোবর (মৃত্যুবার্ষিকী), ৫১ (তম মৃত্যুবার্ষিকী), ৬৯ (বয়স), ১ অক্টোবর (জন্ম তারিখ), ১৯৩২ (প্রথম রেকর্ড প্রকাশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖