📌 টালিগঞ্জের নন্দিত অভিনেত্রী রাইমা সেনের জন্মদিনে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তার বন্ধুত্বের গভীরতা তুলে ধরেন। ঋতুপর্ণা বলেন, রাইমা শিশুর মতো মন নিয়ে কাজ করেন এবং তিনি আশা করেন রাইমার জীবনে দ্রুত একজন আদর্শ পুরুষ আসুক
টালিগঞ্জের নন্দিত অভিনেত্রী রাইমা সেনের জন্মদিনে তার বন্ধু ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তার ব্যক্তিগত জীবনের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিয়েছেন। ঋতুপর্ণা কলকাতার গণমাধ্যম ‘আনন্দবাজারে’ প্রকাশিত লেখায় রাইমার প্রতি তার বন্ধুত্ব ও আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঋতুপর্ণা বলেছেন, রাইমা সেনের মন ‘ভীষণ ভাল’ এবং শিশুর মতো প্রাণবন্ত
- 📌 রাইমা ও ঋতুপর্ণা একই দিনে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তাদের মধ্যে ‘পরিবারের মতো’ বন্ধুত্ব রয়েছে
- 📌 ‘অনুরণন’ চলচ্চিত্রের সময় তাদের বন্ধুত্ব গাঢ় হয়ে উঠেছিল
- 📌 ৪৭ বছর বয়সেও বিয়েটা না করায় ঋতুপর্ণা আশা করেছেন রাইমার জীবনে দ্রুত একজন ‘প্রিন্স চার্মিং’ আসুক
- 📌 রাইমার মা মুনমুন সেন ও ঋতুপর্ণার বাবা নভেম্বর মাসেই মৃত্যুবরণ করেছেন
📰 বিস্তারিত
সুচিত্রা সেনের নাতনি রাইমা সেন এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের মধ্যে রয়েছে গভীর বন্ধুত্ব। ঋতুপর্ণা লিখেছেন, “আমার আর রাইমার একই দিনে জন্মদিন। তাই আমরা খানিক একরকম। আমরা দু’জনেই খুব মিশুক। মানুষের সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি বন্ধুত্ব করি, মিলেমিশে যাই। আমরা আসলে পরিবারের মতোই হয়ে গিয়েছি।”
‘অনুরণন’ চলচ্চিত্রের সময় তাদের বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হয়ে উঠেছিল। ঋতুপর্ণা বলেছেন, “আমি আর রাইমা যখন ‘অনুরণন’ করলাম, তখন আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব অনেক গাঢ় হয়ে গিয়েছিল। আমরা দু’জনে ভীষণ মজাও করেছি। ওর মনটাও ভীষণ ভাল, শিশুর মতো।”
৪৭ বছর বয়সেও বিয়েটা না করায় ঋতুপর্ণা আশা করেছেন রাইমার জীবনে দ্রুত একজন আদর্শ পুরুষ আসুক। তিনি লিখেছেন, “ও খুব প্রাণবন্ত। ওকে শুভেচ্ছা। এখন জীবনে যেন ও সবকিছু পায়। ও যখন যে কাজটা করে, সেটা খুব মন দিয়ে করে। শুধু আমার মনে হয় যে, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ওর একটু ভেবে নেওয়া উচিত। আমি চাই ওর জীবনে খুব তাড়াতাড়ি এক জন ‘প্রিন্স চার্মিং’ আসুক।”
ঋতুপর্ণা আর রাইমার মা-বাবা নভেম্বর মাসেই মৃত্যুবরণ করেছেন। ঋতুপর্ণা বলেছেন, “আমার মায়ের মৃত্যুর পর প্রথমে রাইমাই এসেছিল আমার সঙ্গে দেখা করতে। সঙ্গে মুনমুন সেনও এসেছিলেন। আমাদের হয়তো রোজ দেখা হয় না, কিন্তু কোথাও একটা বন্ডিং আছে। আমরা প্রচুর পার্টিও করি।”
"আমার আর রাইমার একই দিনে জন্মদিন। তাই আমরা খানিক একরকম। আমরা দু’জনেই খুব মিশুক। মানুষের সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি বন্ধুত্ব করি, মিলেমিশে যাই। আমরা আসলে পরিবারের মতোই হয়ে গিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রাইমা সেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ বছর (রাইমার বয়স), ৭ নভেম্বর (জন্মদিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!