📌 'বনলতা এক্সপ্রেস'-এর শিশুশিল্পী ত্রিধা পাল মান (নিতু) অভিনয়ের শুরু থেকে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নের কথা বলেছেন। তিনি মায়ের কাছ থেকে অভিনয় শিখে শুটিংয়ে অংশ নেন এবং মজার ঘটনাগুলো শেয়ার করেন
‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর শিশুশিল্পী ত্রিধা পাল মান (নিতু) অভিনয়ের শুরু থেকে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নের কথা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, অভিনয় শিখতে শুরু করেছিলেন মা-বাবা তাকে অভিনয় করে দেখানোর মাধ্যমে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ত্রিধা পাল মান (নিতু) অভিনয় শিখেছেন মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজনদের সাহায্যে, বিশেষ করে মা তাকে কান্না করা শিখিয়েছেন
- 📌 ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর শুটিং ১৬-১৭ দিন স্থায়ী হয়েছিল, যেখানে তার কাকু-কাকিমা সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছিলেন
- 📌 অভিনয় জীবনে মোশাররফ করিমের অভিনয় সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, এবং শুটিংয়ে মজার ঘটনাগুলো তিনি শেয়ার করেছেন
- 📌 ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর শুটিংয়ে ট্রেনের দৃশ্যগুলো সত্যিকারের ট্রেন ছিল না, বরং বানানো সেট ছিল
📰 বিস্তারিত
ত্রিধা পাল মান (নিতু) বলেছেন, অভিনয় শিখতে শুরু করেছিলেন মা-বাবা তাকে অভিনয় করে দেখানোর মাধ্যমে। তিনি বলেছেন, “মা-বাবা আমাকে গরিব মানুষের জীবন, অভিনয়, নাচ, গান ইত্যাদি দেখাতেন। আমি যখন কথা বলতে শিখেছিলাম, তখন থেকেই মা-বাবা আমাকে অভিনয় করে দেখাতেন।”
‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার আগে তিনি একটি অডিশন দিয়েছিলেন, যেখানে তার অভিনয় ছিল টোকাইয়ের। তিনি বলেছেন, “মা আমাকে কান্না করা শিখিয়েছেন এবং অভিনয়ের বিষয়টা মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন। আমি খুব কনফিউজড ছিলাম, কিন্তু মা-বাবা এবং আত্মীয়স্বজন সবাই আমাকে সাহস দিয়েছিলেন।”
‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর শুটিং ১৬ বা ১৭ দিন স্থায়ী হয়েছিল। তিনি বলেছেন, “আমার স্কুলের বন্ধুরা এই শুটিংয়ের কথা জানত না। তবে পরিবারের বাইরে আমার কাকু ও কাকিমা সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছিলেন।”
"‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর শুটিংয়ে আমি অনেক আনন্দের সঙ্গে কাজ করেছি। এটার মধ্যে সবই মজার মজার সিন ছিল।" — ত্রিধা পাল মান (নিতু)
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শুটিংয়ের সময় ঢাকার বাইরে থাকলেও ঢাকায় প্রিমিয়ার দেখেছেন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ত্রিধা পাল মান (নিতু)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬-১৭ দিন (শুটিং সময়), ৬৯-কে ৯৬ (মজার ডায়লগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!