📌 জসীমউদ্দীনর লোকগল্পে চাচা-ভাজতের মধ্যে কুমড়ার দাম নিয়ে হাস্যরসাত্মক বিতর্কের ঘটনা। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ভাজতের বাহাদুরি এবং রহিমুদ্দীর ভাইয়ের বেটা হিসেবে তার মুক্তি
জসীমউদ্দীনর বিখ্যাত লোকগল্প ‘রহিমুদ্দির ভাইয়ের বেটা’-এ চাচা-ভাজতের মধ্যে কুমড়ার দাম নিয়ে হাস্যরসাত্মক বিতর্কের ঘটনা চিত্রিত হয়েছে। গল্পে ভাজতের বাহাদুরি এবং রহিমুদ্দীর ভাইয়ের বেটা হওয়ার কারণে তার পুলিশের হাত থেকে মুক্তি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভাজত কুমড়ার দাম আট আনা চাইলে পুলিশের কাছে দুই আনা দাম দিতে বাধ্য হন
- 📌 পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ভাজত ‘বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইয়াছ কোনো দিন?’ বলে জবাব দেন
- 📌 রহিমুদ্দীর ভাইয়ের বেটা হওয়ার কারণে বড় দারোগা তাকে মুক্তি দেন
- 📌 গল্পে চাচা-ভাজতের মধ্যে কুমড়ার দাম নিয়ে হাস্যরসাত্মক আলাপ-সালাপের চিত্র
📰 বিস্তারিত
গল্পের শুরুতে চাচা-ভাজতের মধ্যে কুমড়ার দাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ভাজত বাজারে কুমড়া নিয়ে আসার পর চাচা তাকে আট আনা দাম চাইলে সে দুই আনা দাম দিতে রাজি হন। ভাজতের বাহাদুরি দেখে পুলিশ তাকে মারধর করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু রহিমুদ্দীর ভাইয়ের বেটা হওয়ার কারণে বড় দারোগা তাকে মুক্তি দেন।
গল্পে চাচা ভাজতকে বলেন, ‘তুমি ভদ্রলোকের ছেলেকে বলিয়াছ, বাপের পুষ্যি কোনো দিন কুমড়া খাইয়াছ?’ এই কথায় পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ভাজত ‘বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইয়াছ কোনো দিন?’ বলে জবাব দেন। এই বিতর্কের মাধ্যমে গল্পের হাস্যরসাত্মক দিক উজ্জ্বল হয়।
জসীমউদ্দীনর ‘বাঙ্গালীর হাসির গল্প’ গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত এই গল্পে চাচা-ভাজতের মধ্যে কুমড়ার দাম নিয়ে হাস্যরসাত্মক আলাপ-সালাপের মাধ্যমে বাংলার লোকজীবনের রসাত্মকতা তুলে ধরা হয়েছে।
"বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইয়াছ কোনো দিন?" — এই জবাব দিয়ে ভাজত পুলিশের হাত থেকে বাঁচেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমড়া বাজার (গল্পের কাল্পনিক স্থান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভাজত (রহিমুদ্দীর ভাইয়ের বেটা), চাচা, পুলিশ, বড় দারোগা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আট আনা (দাম), দুই আনা (দাম), রহিমুদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!