📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল রেকর্ড: ১৮০ ফ্লপের পরও ৭২ বছর বয়সে মিলল ৩৫০ কোটি টাকার সাফল্য

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল রেকর্ড: ১৮০ ফ্লপের পরও ৭২ বছর বয়সে মিলল ৩৫০ কোটি টাকার সাফল্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল এক রেকর্ড গড়েছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর ক্যারিয়ারে রয়েছে ১৮০টির বেশি ফ্লপ ছবি, অথচ ৭২ বছর বয়সে এসে তিনি পেয়েছেন ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয় করা ছবির স্বীকৃতি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল এক রেকর্ড গড়েছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর ক্যারিয়ারে রয়েছে প্রায় ১৮০টি ব্যর্থ ছবি। অথচ ৭২ বছর বয়সে এসে তিনি পেয়েছেন ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয় করা ছবির স্বীকৃতি। চলচ্চিত্র জগতে সাধারণত অভিনেতাদের সাফল্য মাপা হয় তাঁদের হিট ছবির সংখ্যা দিয়ে। কিন্তু মিঠুন চক্রবর্তীর ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি উল্টো। তাঁর ক্যারিয়ারে ব্যর্থতার সংখ্যা যেমন বেশি, তেমনি তাঁর জনপ্রিয়তাও রয়ে গেছে অটুট।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল রেকর্ড: প্রায় ১৮০টি ফ্লপ ছবির পরও জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন মিঠুন চক্রবর্তী
  • 📌 ১৯৭৬ সালে মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক এবং জাতীয় পুরস্কার জয়
  • 📌 ১৯৮২ সালের ‘ডিসকো ড্যান্সার’ ছবির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন
  • 📌 ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবিতে অভিনয় করে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয় ৩৫০ কোটি রুপি
  • 📌 তাঁর ক্যারিয়ারে মোট অভিনীত ছবির সংখ্যা ২৭০টির বেশি, যার মধ্যে প্রায় ১৮০টি ব্যর্থ

📰 বিস্তারিত

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল এক রেকর্ড গড়েছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর ক্যারিয়ারে রয়েছে প্রায় ১৮০টি ব্যর্থ ছবি। অথচ ৭২ বছর বয়সে এসে তিনি পেয়েছেন ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয় করা ছবির স্বীকৃতি। চলচ্চিত্র জগতে সাধারণত অভিনেতাদের সাফল্য মাপা হয় তাঁদের হিট ছবির সংখ্যা দিয়ে। কিন্তু মিঠুন চক্রবর্তীর ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি উল্টো। তাঁর ক্যারিয়ারে ব্যর্থতার সংখ্যা যেমন বেশি, তেমনি তাঁর জনপ্রিয়তাও রয়ে গেছে অটুট।

১৯৭৬ সালে মৃণাল সেনের পরিচালনায় ‘মৃগয়া’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে মিঠুন চক্রবর্তীর। তাঁর এই অভিষেক ছিল অত্যন্ত সফল। প্রথম ছবিতেই তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেন, যা ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এরপর থেকেই তাঁর ক্যারিয়ারে শুরু হয় উত্থান পর্ব। আশির দশকের শুরুতে ‘শওকিন’ ও ‘আশান্তি’র মতো ছবিতে অভিনয় করলেও তাঁকে প্রকৃত তারকাখ্যাতি এনে দেয় ১৯৮২ সালের ‘ডিসকো ড্যান্সার’। এই ছবিটি তাঁকে শুধু ভারতে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও জনপ্রিয় করে তোলে। বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও রাশিয়ায় ছবিটির ব্যাপক সাফল্য মিঠুনকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। এমনকি তাঁর ‘ডিসকো ড্যান্সার’ ছবিটি ‘শোলে’কেও ছাড়িয়ে যায় আয়-ব্যয়ের দিক থেকে।

১৯৮৫ সালে রাশিয়ায় মুক্তির পর ‘ডিসকো ড্যান্সার’ ছবিটি বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০০ কোটি রুপি আয় করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় এটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয় করা ছবির মর্যাদাও পায়। এর আগে এ অবস্থানে ছিল ‘শোলে’। পরে ১৯৯৪ সালে ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’ ছবিটি সে রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। সেই সময়টাই ছিল মিঠুনের ক্যারিয়ারের সোনালি অধ্যায়। বছরে তিনি ৮ থেকে ১২টি ছবিতে অভিনয় করতেন। তবে সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ক্যারিয়ারে শুরু হয় অন্য এক প্রবণতা। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে তিনি ছবির সংখ্যা বাড়াতে থাকেন। কিন্তু সব ছবির মান বা বাণিজ্যিক সাফল্য সমান ছিল না। ফলে তাঁর ক্যারিয়ারে ব্যর্থ ছবির সংখ্যাও দ্রুত বাড়তে থাকে।

নব্বইয়ের দশকে নতুন প্রজন্মের তারকাদের উত্থানের পর মিঠুন বেশি করে অভিনয় করেন কম বাজেটের অ্যাকশন ছবিতে। এমন অনেক ছবি ছিল, যেগুলোর নির্মাণ শেষ হতো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু নব্বইয়ের দশকেই তিনি প্রায় ১০০ ছবিতে অভিনয় করেন, যার বড় অংশই বক্স অফিসে সফল হয়নি। তাঁর সর্বশেষ একক নায়ক হিসেবে বাণিজ্যিক হিট ছবি ছিল ১৯৯৫ সালের ‘রাবণ রাজ’। অর্থাৎ তিন দশকের বেশি সময় ধরে একক নায়ক হিসেবে তাঁর কোনো বড় হিট ছিল না। পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে মিঠুন অভিনয় করেছেন ২৭০টির বেশি ছবিতে। এর মধ্যে প্রায় ১৮০টি ছবি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি অন্তত ৪৫টি ছবিকে বক্স অফিস ‘ডিজাস্টার’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মিঠুনের গল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক সম্ভবত এখানেই, এত ব্যর্থতার পরও তাঁর তারকাখ্যাতি ও দর্শকপ্রিয়তা পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। ২০০০ সালের পর তিনি ধীরে ধীরে চরিত্রাভিনেতা ও পার্শ্বচরিত্রে বেশি কাজ করতে শুরু করেন। টেলিভিশনের রিয়েলিটি শোতেও তাঁকে নিয়মিত দেখা গেছে। কিন্তু ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য আসে অনেক পরে। ২০২২ সালে বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবিতে অভিনয় করেন মিঠুন। কম প্রত্যাশা নিয়ে মুক্তি পাওয়া ছবিটি পরে বিশাল আলোড়ন তোলে এবং বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৫০ কোটি রুপি আয় করে। এটিই মিঠুনের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয় করা ছবি।

"ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিরল এক রেকর্ড গড়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর ক্যারিয়ারে রয়েছে প্রায় ১৮০টি ব্যর্থ ছবি। অথচ ৭২ বছর বয়সে এসে তিনি পেয়েছেন ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয় করা ছবির স্বীকৃতি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিঠুন চক্রবর্তী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮০টি ফ্লপ ছবি, ৩৫০ কোটি রুপি আয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖