📌 মিসির আলির সঙ্গে দেখা করতে আসা মজিদ মিয়ার চোখে পলক পড়ছিল না। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া কারেন্টের বিলের পরিমাণ ছিল ১৬ হাজার ৯২ টাকা। দুইজনেরই অপলক দৃষ্টিতে কাটে সময়
বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলির সঙ্গে দেখা করতে আসেন মজিদ মিয়া। তাঁর চোখে পলক পড়ছিল না বলে লক্ষ করেন মিসির আলি। প্রকৃতিবিজ্ঞানী পল ওয়াটশনের গবেষণার কথাও তাঁর মনে পড়ে। মজিদ মিয়া জানান, তাঁর দ্বিতীয় পরিবার মাছপ্রিয় হওয়ায় সংসারে নানা সমস্যা তৈরি হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিসির আলি লক্ষ করেন মজিদ মিয়ার চোখে পলক পড়ছে না।
- 📌 প্রকৃতিবিজ্ঞানী পল ওয়াটশনের গবেষণার কথা মনে করেন মিসির আলি।
- 📌 মজিদ মিয়া জানান, তাঁর দ্বিতীয় পরিবার মাছপ্রিয় হওয়ায় সংসারে সমস্যা তৈরি হয়।
- 📌 মজিদ মিয়ার কাছ থেকে পাওয়া কারেন্টের বিলের পরিমাণ ছিল ১৬ হাজার ৯২ টাকা।
- 📌 মিসির আলির ১৩ দিন ধরে শুকনো কাশির সমস্যা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মিসির আলির সঙ্গে দেখা করতে আসেন মজিদ মিয়া। তাঁর চোখে পলক পড়ছিল না বলে লক্ষ করেন মিসির আলি। প্রকৃতিবিজ্ঞানী পল ওয়াটশনের গবেষণার কথা তাঁর মনে পড়ে। মজিদ মিয়া জানান, তাঁর দ্বিতীয় পরিবার মাছপ্রিয় হওয়ায় সংসারে নানা সমস্যা তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, তাঁর দ্বিতীয় পরিবারের মহিলা সদস্য মাছ ছাড়া এক বেলা ভাত গিলতে পারেন না।
মজিদ মিয়া জানান, তাঁর কাছ থেকে পাওয়া কারেন্টের বিলের পরিমাণ ছিল ১৬ হাজার ৯২ টাকা। আগের মাসে তাঁর কারেন্টের বিল আসত আড়াইশ টাকা। মজিদ মিয়া জানান, তাঁর দ্বিতীয় পরিবার টিভি দেখতে পছন্দ করে বলে বিল বেশি আসে।
মিসির আলির ১৩ দিন ধরে শুকনো কাশির সমস্যা রয়েছে। তাঁর বাসার ছেলে তাঁকে গ্রিন ফার্মেসি থেকে কফ সিরাপ এনে দেয়। সেটা খাওয়ার পর তাঁর ঘুম আসে।
"আপনে হয়তো খিয়াল করছেন আমার চক্ষের পলক পড়তেছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিসির আলির বাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিসির আলি, মজিদ মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ দিন, ১৬ হাজার ৯২ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!