📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুতুবদিয়ার তরুণ শিল্পীর গান হয়ে উঠল রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের ভাষা

কুতুবদিয়ার তরুণ শিল্পীর গান হয়ে উঠল রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের ভাষা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার তরুণ সংগীতশিল্পী শাহীন আবরার রচিত 'ও আরাকান' গানটি রোহিঙ্গা শিবিরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গণহত্যা দিবসে আশ্রয়শিবিরগুলোতে গাওয়া এই গানটি এখন তাদের প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে

উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাসরত প্রায় ১৪ লাখ রোহিঙ্গা এখন মুখে মুখে গেয়ে ওঠেন একটি গান—‘ও আরাকান, হান্দে যে দিলহান, হতদিন তোয়ার ন দেখি মুখহান।’ কক্সবাজারের উপজেলা কুতুবদিয়ার তরুণ সংগীতশিল্পী শাহীন আবরার (২৮) রচিত এই গানটি এখন তাদের প্রাণের গান হিসেবে পরিচিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রোহিঙ্গা শিবিরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি শিল্পী শাহীন আবরারের রচিত গান ‘ও আরাকান’
  • 📌 গানটির গীতিকার ও সুরকার কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার তরুণ শাহীন আবরার
  • 📌 ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবসে আশ্রয়শিবিরগুলোতে গাওয়া হয়েছিল এই গান
  • 📌 গানটিতে রোহিঙ্গা ভাষা ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার মিশ্রণ ঘটানো হয়েছে
  • 📌 শাহীন আবরার আরও দুটি গান রচনা করেছেন—‘একদিন আরাকান শহরত ফিরে যাইয়্যুম’ ও ‘মুম-মিখ্যা চল’

📰 বিস্তারিত

রোহিঙ্গা শিবিরের গলির চা-দোকানে টেবিল চাপড়ে গান গাইছেন কয়েকজন তরুণ। তাদের গাওয়া সেই গানটি শুনে থমকে দাঁড়াতে হয়—‘ও আরাকান, হান্দে যে দিলহান, হতদিন তোয়ার ন দেখি মুখহান।’ ছেড়ে আসা স্বদেশের জন্য এমন আবেগ জড়ানো গান খুব বেশি শোনা যায় না। সম্প্রতি রোহিঙ্গা শিবিরে গেলেই এই গান শোনার অভিজ্ঞতা হচ্ছে।

গানটির গীতিকার ও সুরকার কক্সবাজারের উপজেলা কুতুবদিয়ার তরুণ সংগীতশিল্পী শাহীন আবরার। তিনি জানান, ২০২২ সালে মাস্টার্স শেষ করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোস্ট ফাউন্ডেশনে চাকরি পান। সেখানে কাজ করতে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মেলামেশার সুযোগ হয় তার। তাদের জীবনের দুঃখ-বেদনা ও জন্মভূমির টান তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

২০২৫ সালের আগস্ট মাসে তিনি রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস উপলক্ষে এমন একটি গান রচনার সিদ্ধান্ত নেন, যা রোহিঙ্গাদের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করাবে। সেই ইচ্ছারই প্রতিফলন হিসেবে রচিত হয় ‘ও আরাকান’ গানটি। গানটির সঙ্গে সহযোগিতা করেন রোহিঙ্গা শিল্পী রোহেল খান। গানটিতে রোহিঙ্গা ভাষা ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার মিশ্রণ ঘটানো হয়েছে।

গানটি রচনার পর শাহীন আবরার কয়েকজন রোহিঙ্গা তরুণকে সঙ্গে নিয়ে তা ক্যাম্পে ক্যাম্পে ছড়িয়ে দেন। গত এক বছরে এই গানটি রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছে। শাহীন আবরার বলেন, শিল্পের কোনো ভৌগোলিক সীমানা নেই। আশ্রয়শিবিরে গেলেই রোহিঙ্গা শিশু-কিশোরেরা তাকে ঘিরে ধরে গেয়ে ওঠেন এই গান।

"লাখো রোহিঙ্গার জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার আকুতি শাহীন ভাইয়ের ‘ও আরাকান’ গান। এই গান প্রমাণ করে, জন্মভূমির মাটি মানুষের কাছে কতটা পবিত্র ও প্রিয়। ঘরহারা মানুষের এই গান তাদের মনে নতুন করে আশার সঞ্চার করে।"

শাহীন আবরার আরও দুটি গান রচনা করেছেন—‘একদিন আরাকান শহরত ফিরে যাইয়্যুম’ এবং ‘মুম-মিখ্যা চল’, যা রোহিঙ্গা তরুণদের নিজ ভূমিতে ফিরতে উৎসাহিত করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই গানটি দ্রুতই মানুষের মন জয় করে নিয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরসমূহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহীন আবরার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ লাখ, ৩৩টি, ২৮ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖