📌 টালিউডের শীর্ষ নায়িকা কৌশানী মুখার্জি ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’-এর দ্বিতীয় পার্টে ‘ঝিমলি’ চরিত্রে অভিনয়ের কষ্ট, শিবপ্রসাদ মুখার্জির সাথে কাজের অভিজ্ঞতা এবং সমালোচনার মুখে নিজের সাফল্যের গল্প শেয়ার করেছেন
টালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ সিনেমার দ্বিতীয় পার্টে ‘ঝিমলি’ চরিত্রে অভিনয়ের কষ্ট, শিবপ্রসাদ মুখার্জির সাথে কাজের অভিজ্ঞতা এবং নিজের জীবনের পরিবর্তনের গল্প একান্ত সাক্ষাৎকারে শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রথম পার্টে নতুন চরিত্রের চ্যালেঞ্জ ছিল বড়, কিন্তু দ্বিতীয় পার্টে চরিত্রটি দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে, ফলে দায়িত্ব আরও বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’-এর দ্বিতীয় পার্টে ‘ঝিমলি’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কৌশানী মুখার্জি প্রথম পার্টটি বারবার দেখেছেন এবং চরিত্রের ভাষা ও উচ্চারণ শিখেছেন।
- 📌 শুটিংয়ের সময় শিবপ্রসাদ মুখার্জির সাথে হেয়ারস্টাইল নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল, কিন্তু অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি শিবপ্রসাদের প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, ‘ক্যামেরার সামনে শিবুদা একাই বাজিমাত করে দেন’।
- 📌 কৌশানী বলেছেন, ছোটবেলায় তিনি লাজুক ছিলেন, কিন্তু অভিজ্ঞতা তাকে বদলে দিয়েছে এবং এখন তিনি সমালোচনার মুখে চুপ থাকেন না।
- 📌 তিনি বনি সেনগুপ্তের সাফল্যে কখনোই ইনসিকিউরিটি অনুভব করেন না এবং বলেছেন, ‘বনি ও আমি একসঙ্গে বড় হয়েছি এবং কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে ছিলেন’।
- 📌 পুজোর সপ্তমী পর্যন্ত সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও অষ্টমীর পর থেকে তিনি পুরোদমে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাবেন।
📰 বিস্তারিত
‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’-এর দ্বিতীয় পার্টে ‘ঝিমলি’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কৌশানী মুখার্জি প্রথম পার্টটি বারবার দেখেছেন এবং সেই ভাষার উচ্চারণ রপ্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ সেটি সবার কাছে নতুন ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় পার্টে এসে সেই চরিত্র মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে, ফলে অভিনেত্রীর দায়িত্ব আরও বেড়েছে। শুটিংয়ে যাওয়ার আগে তিনি প্রথম পর্বটি বারবার দেখেছেন এবং সেই ভাষার উচ্চারণ রপ্ত করেছেন। এমনকি চরিত্রটির জন্য দীর্ঘ সময় মেকআপ নেওয়া এবং গরমে শুটিং করার কষ্টের কথাও শেয়ার করেছেন তিনি।
কৌশানী শিবপ্রসাদ মুখার্জির সাথে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেছেন, শুটিংয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়েছিল। কোনো নির্দিষ্ট হেয়ারস্টাইল নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কারণে শুটিংয়ের আগে তাদের কথা বন্ধ থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে অভিনয়ের ক্ষেত্রে শিবপ্রসাদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, ‘ক্যামেরার সামনে শিবুদা একাই বাজিমাত করে দেন এবং তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে’। তিনি মজার ছলে বলেছেন, ‘বন্ধু হিসেবে আমি চাই শিবপ্রসাদ নিজেকে আরও একটু আপডেট করুন’।
কৌশানী বলেছেন, ছোটবেলায় তিনি বেশ শান্ত ও লাজুক স্বভাবের ছিলেন এবং কথায় কথায় কেঁদে ফেলতেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা মানুষকে বদলে দিয়েছে। এখন ভুল দেখলে তিনি চুপ থাকেন না। একসময় ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগ না পেয়ে সমালোচনার শিকার হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘সমালোচনা করা সহজ, কারও জুতোয় পা না গলালে তার যন্ত্রণা বোঝা যায় না’। তিনি বলেছেন, একঘেয়ে রিমেক ছবির যুগে হিরোইনদের কাজের সুযোগ কম থাকলেও এখন সময় বদলিয়েছে এবং তিনি নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছেন।
বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কৌশানী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বনির সাফল্যে তার কখনোই ইনসিকিউরিটি কাজ করে না। তিনি বলেছেন, ‘বনি ও আমি একসঙ্গে বড় হয়েছি এবং কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে ছিলেন’। তিনি অন্তর থেকে চান বনি যেন ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ স্থানে পৌঁছায়। এছাড়া তিনি আনন্দে জানিয়েছেন, বাবাকে একটি বাড়ি উপহার দিতে পারার আনন্দ এবং বাবাই যে তার সবচেয়ে বড় প্রচারক বা ইন-হাউজ পিআর, সে কথাও।
"যন্ত্রণা বোঝা যায় না কারও জুতোয় পা না গলালে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টালিউড (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৌশানী মুখার্জি, শিবপ্রসাদ মুখার্জি, বনি সেনগুপ্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (দ্বিতীয় পার্ট), ৭ (পুজোর সপ্তমী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!