📌 হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত কর্মীদের উপস্থিতির কারণে প্রতিবাদ করেছেন। তিনি বলেছেন, অভিনয়শিল্পীদের নিরাপত্তা ও সম্মতি নিশ্চিত করতে এমন অবস্থান নেওয়া জরুরি
হলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত কর্মীদের উপস্থিতির কারণে কঠোরভাবে প্রতিবাদ করেছেন। তিনি বলেছেন, একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি অন্য অভিনয়শিল্পীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন অবস্থান নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেনিফার লরেন্স নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে বহিরাগত কর্মীদের উপস্থিতির কারণে প্রতিবাদ করেছেন এবং তাদের সেট থেকে বের করে দিয়েছিলেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, ‘আমি যদি এই নীতির পক্ষে না দাঁড়াই, তাহলে ১৮ বছর বয়সী কোনো অভিনেত্রী কীভাবে প্রতিবাদ করবেন?’
- 📌 ‘ডাই মাই লাভ’ ছবিতে সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ে কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর না থাকায় তিনি অস্বস্তি বোধ করেননি।
- 📌 লরেন্স বলেছেন, নগ্নতা নিয়ে তার ব্যক্তিগত অস্বস্তি নেই, কিন্তু শারীরিক গঠন সম্পাদনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।
📰 বিস্তারিত
জেনিফার লরেন্স ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে বলেছেন, অভিনয়শিল্পীদের প্রায়ই পরিচালকের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে পরিবর্তন করতে হয়। চরিত্রের প্রয়োজনে চুল ছোট করা, রং পরিবর্তন করা বা শারীরিক পরিবর্তন — এসব অভিনয়ের অংশ। তবে সময়ের সঙ্গে তিনি নিজের অধিকার নিয়ে আরও সচেতন হয়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, ‘এখন প্রয়োজন হলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানান।’
লরেন্স একটি বিশেষ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, একবার নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ে সেটে বহিরাগত কর্মীদের উপস্থিতি ছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি কঠোরভাবে প্রতিবাদ করেন। তিনি মনে করেন, একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের জন্য প্রতিবাদ করা জরুরি, তেমনি নতুন ও অনভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পীদের সুরক্ষার জন্যও এমন অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
লরেন্সের ভাষায়, ‘আমি যদি এই নীতির পক্ষে না দাঁড়াই, তাহলে ১৮ বছর বয়সী কোনো অচেনা অভিনেত্রী যখন সেটে আসবে, তখন তার কী হবে? সে হয়তো ভাববে, প্রতিবাদ করলে তাকে কঠিন স্বভাবের বলে মনে করা হবে। আবার এমন লোকদের সামনে নগ্ন হতে হবে, যাদের উপস্থিতিতে সে স্বস্তি বোধ করছে না। কেন এটি গ্রহণযোগ্য নয়, তা সবাইকে বোঝানো জরুরি ছিল।’
‘ডাই মাই লাভ’ ছবিতে সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে তিনি বলেছেন, ছবিতে তাঁদের জন্য কোনো ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর ছিলেন না। তবে তিনি নিজেকে নিরাপদ মনে করেছিলেন। প্যাটিনসনের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তিনি অস্বস্তি বোধ করেননি। লরেন্স বলেন, ‘প্যাটিনসন তাঁকে কখনো অস্বস্তিতে ফেলেননি। তাঁরা বরং সন্তান ও সম্পর্কের মতো বিষয় নিয়ে কথা বলতেন।’
লরেন্সের মতে, ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কাজ করার সময় সহশিল্পীর আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। কোনো অভিনেতা যদি সহশিল্পীর অনাগ্রহকে ব্যক্তিগতভাবে নেন, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটরের উপস্থিতি জরুরি।
‘ডাই মাই লাভ’-এর নগ্ন দৃশ্য নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গিও জানিয়েছেন লরেন্স। তিনি বলেছেন, নগ্নতা নিয়ে তার ব্যক্তিগত অস্বস্তি নেই। পরিচালকের শিল্পীসত্তার স্বাধীনতা বজায় রাখতেই দৃশ্যগুলোয় সম্মতি দিয়েছিলেন। ছবিটির শুটিংয়ের সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ফলে নিজের শারীরিক গঠন নিয়ে আগের মতো দুশ্চিন্তাও কাজ করেনি।
একটি দৃশ্যের ক্লোজআপ শট দেখে শরীরের সেলুলাইট বা ত্বকের স্বাভাবিক ভাঁজগুলো সম্পাদনার মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন লরেন্স। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। তাঁর বক্তব্য, ‘শরীর যেমন, তেমনই থাকুক।’
"আমি যদি এই নীতির পক্ষে না দাঁড়াই, তাহলে ১৮ বছর বয়সী কোনো অচেনা অভিনেত্রী যখন সেটে আসবে, তখন তার কী হবে? সে হয়তো ভাববে, প্রতিবাদ করলে তাকে কঠিন স্বভাবের বলে মনে করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হলিউড (অভিনয় শুটিং সেট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনিফার লরেন্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!