📌 ইতালির রোমে জেমসের কনসার্টের পর হোটেল রুম অপরিষ্কার রাখার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। একইসঙ্গে আয়োজকের প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তাঁর মুখপাত্র
ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত জেমসের কনসার্ট পরবর্তী সময়ে হোটেল রুম অপরিষ্কার রাখার অভিযোগ নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ভেনিসে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন জেমস। একইসঙ্গে আয়োজকের প্রতারণার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তাঁর মুখপাত্র।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেমসের দলের সদস্যরা রোমের বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন ১৬ আগস্ট
- 📌 হোটেল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, ৫৪৯ নম্বর রুমটি অপরিষ্কার অবস্থায় রেখে যাওয়া হয়েছে
- 📌 জেমস বলেন, ‘ইয়াং ছেলেরা হয়তো পরিষ্কার করেনি, কিন্তু এটা তেমন বড় কোনো বিষয় নয়’
- 📌 আয়োজকের প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন
- 📌 মুখপাত্র জানান, জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে, অভিযুক্ত রুমটি ছিল অন্য এক মিউজিশিয়ানের
📰 বিস্তারিত
ইতালির রোমে জেমসের কনসার্ট পরবর্তী সময়ে হোটেল রুম অপরিষ্কার রাখার অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও বার্তায় হোটেল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, দলের সদস্যরা রুমটি অপরিষ্কার অবস্থায় রেখে যাওয়ার পাশাপাশি কোনো পূর্বাভাস না দিয়ে কক্ষ ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার ভেনিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেমস নিজেই মুখ খোলেন। তিনি বলেন, ‘৫৪৯ নম্বর রুমটি ছিল আমাদের একজন অতিথি গিটারিস্টের। ইয়াং ছেলেরা হয়তো নিয়ম মেনে পরিষ্কার করেনি, কিন্তু এটা এমন কোনো বড় বিষয় নয়।’
হোটেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ২০০ ইউরো জরিমানার প্রসঙ্গ তুলে ধরে জেমস বলেন, ‘একেক দেশে একেক নিয়ম থাকে। ধূমপানের কারণে ১০০ থেকে ২০০ ইউরো জরিমানা হওয়াটাও স্বাভাবিক। এটা নিয়ে এত আলোচনার কিছু নেই।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘তারা যা ইচ্ছা তাই লিখুক, আমাদের কিছু করার নেই।’
একই দিনে মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন প্রথম আলোকে জানান, অভিযুক্ত রুমটি ছিল দলের অন্য এক সদস্যের। তিনি বলেন, ‘আমাদের চারটি কক্ষ ছিল। জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে, আমি ছিলাম ২৪৬ নম্বর কক্ষে। ৫৪৯ নম্বর কক্ষটি ছিল অন্য এক মিউজিশিয়ানের।’ রবিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এসব অভিযোগ মিথ্যা। আয়োজকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে এমনটা করা হয়েছে।’
আয়োজক হোসাইন আহমেদ প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, কনসার্টের অগ্রিম অর্থ ও টিকিট বিক্রির টাকা নিয়ে হিসাবের জটিলতা রয়েছে। তবে রবিন তা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমরা ভেনিসেই রয়েছি। যদি চুক্তি ভঙ্গ করতাম, পুলিশ অবশ্যই ব্যবস্থা নিত।’
‘তারা করতেছে করুক, করুক না। ফোন আছে, দুই-চারটা কথা লিখতেছে, লিখুক। বাধা দেওয়ার কিছু নেই। তারা মন খুলে লিখুক, স্বাধীনতা আছে।’ — জেমস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রোম, ইতালি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেমস, রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ আগস্ট, ৫৪৯, ২০০ ইউরো, ৩৪৫, ২৪৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!