📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরের জাদুকরী কণ্ঠের স্মৃতিচারণ

বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরের জাদুকরী কণ্ঠের স্মৃতিচারণ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৪ নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী এন্ড্রু কিশোর তার জাদুকরী গায়কী দিয়ে বাংলা সংগীতকে চিরন্তন করে তুলেছেন। ১৯৭৭ সালে চলচ্চিত্রে পা রেখে তিনি ৮টি জাতীয় পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন। ২০২০ সালের ৬ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করলেও তার গানগুলো আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে জাগ্রত রয়েছে

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য আসনে চিরস্থায়ী হয়ে আছেন প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর। ১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহীর মাটিতে জন্মগ্রহণকারী এই শিল্পী তার জাদুকরী কণ্ঠস্বর দিয়ে বাংলা সংগীতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। রাজশাহীর বুলনপুর মিশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষক মা মিনু বাড়ৈয়ের কোলে বেড়ে ওঠা এন্ড্রু কিশোরের সংগীতের প্রথম পাঠ শুরু হয়েছিল মায়ের হাত ধরেই। মায়ের প্রিয় শিল্পী কিশোর কুমারের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকে তার নামকরণ করা হয়েছিল ‘কিশোর’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৪ নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী এন্ড্রু কিশোরের জাদুকরী গায়কী বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে আছে
  • 📌 ১৯৭৭ সালে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রের ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানে প্লেব্যাক দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক
  • 📌 ১৯৮২ সালে ‘বড় ভালো লোক ছিল’ চলচ্চিত্রে ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ গানে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন
  • 📌 ৮টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ পাঁচবার বাচসাস পুরস্কার ও দুইবার মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার লাভ
  • 📌 ২০২০ সালের ৬ জুলাই মৃত্যুবরণ করলেও তার গানগুলো আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে জাগ্রত রয়েছে

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে স্বাধীনতার পর সুরের জাদুকর আব্দুল আজিজ বাচ্চুরের কাছে নজরুল, রবীন্দ্র, আধুনিক ও দেশাত্মবোধক গানের প্রশিক্ষণ নেন এন্ড্রু কিশোর। তার প্রশিক্ষণ ও কণ্ঠস্বরের গুণগত মানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজশাহী বেতার তাকে তালিকাভুক্ত করে। ১৯৭৭ সালে আলম খানের ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রের ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানে প্লেব্যাক দিয়ে তিনি চলচ্চিত্রে অভিষেক করেন। এরপর বাদল রহমানের ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ ও এ জে মিন্টুরের ‘প্রতিজ্ঞা’ চলচ্চিত্রে গাওয়া গানগুলো তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক সম্রাটে পরিণত করে।

১৯৮২ সালে মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘বড় ভালো লোক ছিল’ চলচ্চিত্রে ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ গানে তিনি প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এরপর ১৯৮৪ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের ‘নয়নের আলো’ চলচ্চিত্রের ‘আমার সারা দেহ’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন’ ও ‘আমার বুকের’ মতো কালজয়ী গানগুলো বাংলা গানপ্রেমীদের মনে চিরদিনের মতো জায়গা করে নেয়। এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠস্বর বাংলা চলচ্চিত্রের সীমা পেরিয়ে ভারতের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক আর ডি বর্মণের ‘সুরজ’ চলচ্চিত্রে হিন্দি গান গাওয়ার বিরল অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছিলেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি লিপিকা এন্ড্রু ইতির সঙ্গে ভালোবাসার সংসারে দুই সন্তান সংজ্ঞা ও সপ্তকের গর্বিত পিতা ছিলেন। অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ৮টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ পাঁচবার বাচসাস পুরস্কার ও দুইবার মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারে সম্মানিত হন।

"কোনো কোনো কণ্ঠ শুধু সময়ের সীমানায় আবদ্ধ থাকে না, বরং তা পরিণত হয় মানুষের প্রাণের গভীরতম অনুভূতির চিরন্তন ঠিকানায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী (বুলনপুর মিশন গার্লস হাই স্কুল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এন্ড্রু কিশোর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ (জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার), ৫ (বাচসাস পুরস্কার), ২ (মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖