📌 আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর পরিবার একদিকে কেক কাটলেও অন্যদিকে থাকে গভীর শূন্যতা। দূরদেশে থাকা সন্তানদের সঙ্গে তাঁর স্মৃতি এখনও জীবন্ত
আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন মানেই ছিল পরিবারের আনন্দের দিন। অথচ তাঁর মৃত্যুর আট বছর পরেও সেই দিনটি তাঁর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার, ছেলে আহনাফ তাজওয়ার আইয়ুব ও মেয়ে ফাইরুজ সাফরা আইয়ুবের কাছে হয়ে উঠেছে একই সঙ্গে আনন্দ ও বেদনার প্রতীক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর তাঁর জন্মদিন পালনে এসেছে পরিবর্তন — আগের আনন্দের জায়গায় এখন শূন্যতা
- 📌 স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার জানান, তাঁর শাশুড়ির মৃত্যুর পর থেকে আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন পালনে কমেছে উচ্ছ্বাস
- 📌 ছেলে আহনাফ তাজওয়ার থাকেন কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে, মেয়ে ফাইরুজ সাফরা অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে
- 📌 আইয়ুব বাচ্চু তাঁর সন্তানদের গিটার শেখানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন, যা পূরণ হয়নি
- 📌 ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর ৫৬ বছর বয়সে আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যু হয়
📰 বিস্তারিত
আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন পালনের ধরন বদলে গেছে সময়ের সঙ্গে। একসময় তাঁর জন্মদিন মানেই ছিল বাড়িতে আয়োজন, কেক কাটা, পছন্দের খাবার রান্না আর কাছের মানুষদের সমাগম। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর সেই আয়োজন এখন হয়ে উঠেছে স্মৃতিচারণের মাধ্যম। স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার জানান, তাঁর শাশুড়ির মৃত্যুর পর থেকে আইয়ুব বাচ্চু জন্মদিন পালনে আগের মতো উচ্ছ্বাস দেখাতেন না। তিনি বলেন, "আমার শাশুড়ি বেঁচে থাকা পর্যন্ত বাচ্চু জন্মদিনটা বেশ আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদ্যাপন করত। পরিবারের লোকজন, আত্মীয়স্বজনও বাসায় আসত। ২০০০ সালে ক্যানসারে আমার শাশুড়ি মারা যান। মা-অন্তঃপ্রাণ বাচ্চু এরপর জন্মদিন নিয়ে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখাত না।"
আইয়ুব বাচ্চুর সন্তানদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। তিনি তাঁর ছেলে-মেয়েকে গিটার শেখানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর মেয়ে ফাইরুজ সাফরা জানান, "বাবুই বলেছিল, তুমি আমার সঙ্গে স্টেজে একদিন বাজাবে।" কিন্তু সেই স্বপ্ন পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তাঁর ছেলে আহনাফ তাজওয়ারকে বাবার সঙ্গে এক মঞ্চে গিটার বাজাতে দেখা গেলেও মেয়েকে নিয়ে সেই সুযোগ আর হয়ে ওঠেনি।
আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার এখন দূরদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ছেলে থাকেন কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে, মেয়ে থাকেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। তাঁরা নিজেদের মতো করে কেক কাটেন, কিন্তু সেই কেক কাটায় আগের মতো উচ্ছ্বাস থাকে না। ফাইরুজ সাফরা জানান, "বাবুইকে দেশ-বিদেশের মানুষ ভালোবাসত, এটা বুঝতাম। কিন্তু চলে যাওয়ার পর উপলব্ধি করলাম, তাকে কতটা বেশি ভালোবাসতেন তার ভক্তরা।"
"আমার শাশুড়ি বেঁচে থাকা পর্যন্ত বাচ্চু জন্মদিনটা বেশ আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদ্যাপন করত। পরিবারের লোকজন, আত্মীয়স্বজনও বাসায় আসত। ২০০০ সালে ক্যানসারে আমার শাশুড়ি মারা যান। মা-অন্তঃপ্রাণ বাচ্চু এরপর জন্মদিন নিয়ে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখাত না।" — ফেরদৌস আক্তার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইয়ুব বাচ্চু, ফেরদৌস আক্তার, ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব, আহনাফ তাজওয়ার আইয়ুব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ বছর, ১৮ অক্টোবর ২০১৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!