📌 বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম কিংবদন্তি অভিনেতা ফারুক আজীবন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ কোনো আয়োজন না হলেও তার কর্মজীবনের নানা দিক আলোচিত হচ্ছে
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ ফারুক আজীবন দেশের সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ কোনো আয়োজনের খবর পাওয়া যায়নি। তবে তার কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিনেতা ফারুকের জন্মদিন আজ (১৮ আগস্ট, ১৯৪৮)
- 📌 তিনি ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা
- 📌 রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আমৃত্যু
- 📌 ২০২৩ সালের ১৫ মে সিঙ্গাপুরে মৃত্যুবরণ করেন
- 📌 জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা ও আজীবন সম্মাননা লাভ করেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম কিংবদন্তি অভিনেতা ফারুক আজীবন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ কোনো আয়োজন না হলেও তার কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা চলছে। অভিনেতা ফারুক ১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট গাজীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আজগার হোসেন পাঠানের পাঁচ মেয়ে ও দুই ছেলের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন ফারুক। ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এরপর ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তিনি। দেশ স্বাধীনের পর মনোযোগ দেন দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশে।
মুক্তিযুদ্ধের আগেই তিনি প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’তে যুক্ত হন। এইচ আকবর পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে। এরপর ১৯৭৩ সালে খান আতাউর রহমানের ‘আবার তোরা মানুষ হ’ এবং পরের বছর নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘আলোর মিছিল’-এ অভিনয় করে নিজেকে প্রমাণ করেন। অতঃপর ১৯৭৫-এ ‘সুজন সখী’ ও ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা দুটির মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা পান।
"বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন ফারুক। রাজনীতিও করেছেন সেই দলের। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার শিকার হন বঙ্গবন্ধু। ওই নৃশংস ঘটনার পর থেকে ১৮ আগস্ট জন্মদিনকে আর আনন্দের মনে করতে পারতেন না অভিনেতা।"
ফারুক অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘নয়নমনি’, ‘মাটির মায়া’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘নদের চাঁদ’, ‘সখী তুমি কার’, ‘দোস্তী’, ‘লাল কাজল’, ‘ঝিনুক মালা’, ‘বিরাজ বৌ’, ‘শিমুল পারুল’, ‘মিয়া ভাই’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘জীবন সংসার’, ‘কোটি টাকার কাবিন’ ইত্যাদি। অভিনয় দিয়ে সবার নজর কেড়ে নেওয়া ফারুক পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেন।
পুরোদস্তুর একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমৃত্যু যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে দলটির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিনেতা ফারুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ আগস্ট ১৯৪৮ (জন্ম তারিখ), ১৫ মে ২০২৩ (মৃত্যু তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!