📌 বাংলা সংগীতের কিংবদন্তি সুরকার সুবল দাসের ২১তম প্রয়াণবার্ষিকী পালিত হয়েছে। তাঁর অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে রয়েছে 'গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে', 'আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে'
বাংলা সংগীতের অন্যতম প্রভাবশালী সুরকার ও সংগীত পরিচালক সুবল দাসের ২১তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ। তাঁর অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে', 'আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে', 'শত্রু তুমি বন্ধু তুমি', 'তুমি যে আমার কবিতা', 'এই পৃথিবীর পান্থশালায়', 'যখন থামবে কোলাহল'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলা গানের জগতে অমর সৃষ্টির স্রষ্টা সুবল দাসের প্রয়াণবার্ষিকী আজ
- 📌 তাঁর সুরারোপিত বিখ্যাত গানের মধ্যে রয়েছে 'আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে', 'তুমি যে আমার কবিতা'
- 📌 ১৯৬৩ সালে ঢাকা রেডিওতে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন সুবল দাস
- 📌 ১৯৬৭ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে সুরকার হিসেবে নিয়োগ লাভ
- 📌 ২০০৫ সালের ১৬ আগস্ট ৭৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি
📰 বিস্তারিত
বাংলা সংগীতের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় নাম সুবল দাস। তাঁর অসংখ্য সৃষ্টি আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে অনুরণিত হয়। তিনি ছিলেন একাধারে সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক এবং সংগীতজ্ঞ। তাঁর সুর ও সংগীতায়োজনে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা সঙ্গীতের ভুবন।
সুবল দাসের সঙ্গীত জীবনের সূচনা হয় ওস্তাদ খাদেম হোসেন খান এবং ওস্তাদ আয়াত আলী খান-এর কাছে সেতার শেখার মধ্য দিয়ে। পরবর্তীকালে তিনি বন্ধুদের মঞ্চনাটকে সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর সঙ্গীত প্রতিভা দেখে পরিবারও তাঁকে সঙ্গীত চর্চায় উৎসাহিত করে।
১৯৫৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'আকাশ আর মাটি' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রবেশ করেন। পরবর্তীকালে তিনি 'কাজল', 'ইন্দন', 'সাতরং', 'আলিবাবা', 'জুলেখা', 'পিয়াসা', 'প্রীত না জানে রীত', 'কংগন' সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনা করেন।
"গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে, আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে, শত্রু তুমি বন্ধু তুমি — এমন অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা ছিলেন সুবল দাস। তাঁর সুর ও সংগীতায়োজন বাংলা সঙ্গীতকে সমৃদ্ধ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুবল দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!