📌 বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষাশিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু হবে এ কর্মসূচি, যেখানে আরবি, চীনা, জাপানি, কোরীয়সহ আটটি ভাষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষাশিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এ কর্মসূচি শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ জানান, সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা হিসেবে মোট আটটি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষাশিক্ষা কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ ইউজিসির
- 📌 প্রাথমিকভাবে আরবি, জাপানি, কোরীয়, চীনা ও ইতালীয় ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে
- 📌 ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
- 📌 দেশের আট বিভাগের কোনো অঞ্চল যাতে কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে
- 📌 বর্তমানে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাধিক ১৩টি ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষাশিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এ কর্মসূচি শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা হিসেবে মোট আটটি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কর্মসূচিতে আরবি, চীনা, জাপানি, কোরীয়, ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ ও ইতালীয়—এই আটটি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে আরবি, জাপানি, কোরীয়, চীনা ও ইতালীয় ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ভাষার কোর্স চালু হবে, তা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের চাহিদা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় জনবল এবং অবকাঠামোগত সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সভা থেকে আরও জানানো হয়, দেশের আট বিভাগের কোনো অঞ্চল যাতে এ কর্মসূচির আওতার বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ভাষা নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় রিসোর্স ও লোকেশন ম্যাপিংয়ের জন্য গঠিত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কোন অঞ্চলে কোন ভাষার চাহিদা বেশি, তা চিহ্নিত করা হবে। এর মাধ্যমে চাহিদাভিত্তিক ভাষা নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমের একটি বাস্তবসম্মত ম্যাপিং প্রণয়ন করা হবে।
"সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা হিসেবে মোট আটটি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ (ইউজিসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৮টি ভাষা, ১০টি বিদ্যমান কেন্দ্র, ১৩টি ভাষার সুযোগ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!