📌 এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষা চালু করার সরকারের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে স্বাগত জানানো হলেও, সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, বোর্ডগুলো তিন মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত। এ বছর পাস হার ৬২.২৫ শতাংশে নেমে এসেছে, ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী ফেল করেছে
বাংলাদেশের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষা চালু করার সরকারের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে স্বাগত জানানো হলেও, শিক্ষাবিদ ও অংশীজনদের মতে, সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজন। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সাম্প্রতিক বক্তব্যে জানানো হয়েছে, বোর্ডগুলো তিন মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নিতে প্রস্তুত। এ বছরই এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছে, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাস হার (৬২.২৫ শতাংশ) সৃষ্টি করেছে।
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বোর্ডগুলো তিন মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নিতে প্রস্তুত।
- 📌 ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে পাবলিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে, বাংলাদেশে এটি দেরিতে শুরু হচ্ছে।
- 📌 নতুন ব্যবস্থা চালু হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে এবং পরীক্ষা আয়োজন ও প্রশ্নপত্র তৈরি নিয়ে জটিলতা কমবে।
- 📌 শিক্ষাবিদদের মতে, পুনঃপরীক্ষা চালু করার আগে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যেমন: পরীক্ষার নিয়ম, মূল্যায়নের পদ্ধতি, ফলাফল প্রকাশের সময়সীমা, সনদ প্রদানের নিয়ম ও উচ্চশিক্ষায় ভর্তির বিষয়গুলো।
📰 বিস্তারিত
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য থেকে যাচ্ছে। এর মধ্যে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। এমনকি সব বিষয়ে ভালো নম্বর পেলেও একটি বিষয়ে পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় গোটা বছর নষ্ট হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন পিছিয়ে যায় এবং শিক্ষার ব্যয় ও মানসিক চাপ বাড়ে। ফলাফল প্রকাশের পর নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই অকৃতকার্য বিষয়ে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার দাবি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের ছিল।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, সরকার এ বিষয়ে নীতিগত অবস্থান নিয়েছে। বোর্ডগুলো তিন মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নিতে প্রস্তুত আছে। এ বছরই এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, শিক্ষামন্ত্রণালয়কে মতামত দেওয়া হয়েছে এবং বোর্ডগুলো পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬২.২৫ শতাংশে নেমে এসেছে। সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা মিলিয়ে গড় পাস করেছে মাত্র ৬২.২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। সব মিলিয়ে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী ফেল করেছে। বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরবর্তী বছরে শুধু অকৃতকার্য বিষয়ে অথবা সব বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে এবং প্রতিবছর নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা আয়োজন ও প্রশ্নপত্র তৈরি নিয়ে যে জটিলতা, তার অবসান হতে পারে।
"একটি বা দুটি বিষয়ে ব্যর্থতা যেন একজন শিক্ষার্থীর জীবন থেকে একটি বছর কেড়ে না নেয়। বিশ্বের অনেক শিক্ষাব্যবস্থায় পুনঃপরীক্ষা বা দ্বিতীয় সুযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকেও আরও শিক্ষার্থীবান্ধব ও বাস্তবসম্মত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ ৯০ হাজার (ফেল শিক্ষার্থী), ৬২.২৫ শতাংশ (পাস হার), ৩ মাস (পরীক্ষা নেওয়ার সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!