📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এসএসসি শতভাগ পাশের নামে শিক্ষার্থী বঞ্চনার নির্মম চিত্র উন্মোচন

এসএসসি শতভাগ পাশের নামে শিক্ষার্থী বঞ্চনার নির্মম চিত্র উন্মোচন

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাশ দেখানোর নামে কয়েকটি নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শত শত শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত করেছে। নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যার বিপরীতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই নির্মম চিত্র

এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাশ ও জিপিএ-৫-এর ছড়াছড়ির আড়ালে কয়েকটি নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শত শত শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত করার নির্মম চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর বিপরীতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অনেক শিক্ষার্থীই শেষ পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী, যার সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে
  • 📌 প্রতিষ্ঠানটির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিল ৬১৬ জন, কিন্তু অংশ নিয়েছে মাত্র ৩৮২ জন
  • 📌 মাইলস্টোন কলেজে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিল ১ হাজার ৯৯১ জন, অংশ নিয়েছে ১ হাজার ৪৪০ জন
  • 📌 ভিকারুননিসা নূন স্কুলে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ১৩৪ জন, অংশ নিয়েছে ২ হাজার ৭২ জন
  • 📌 মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ৭৭০ জন, অংশ নিয়েছে ২ হাজার ৭২২ জন

📰 বিস্তারিত

এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাশ ও জিপিএ-৫-এর ছড়াছড়ির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে নির্মম বাস্তবতা। কয়েকটি নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের শতভাগ পাশের হার দেখানোর জন্য শত শত শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর বিপরীতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বিশ্লেষণে এই চিত্র উন্মোচিত হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী, যার সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ পাশের হার প্রকাশ্যে এলেও এর বিপরীতে রয়েছে নির্মম তথ্য। প্রতিষ্ঠানটির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিল ৬১৬ জন। কিন্তু পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মাত্র ৩৮২ জন। অর্থাৎ ২৩৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

অন্যদিকে, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে মোট ১ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত ছিল। কিন্তু এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মাত্র ১ হাজার ৪৪০ জন। অর্থাৎ ৫৫১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানের মোহাম্মদপুর শাখায় নিবন্ধিত ছিল ২০৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে অংশ নিয়েছে মাত্র ১৩৪ জন। অর্থাৎ ৭০ জন পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুলে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ১৩৪ জন, অংশ নিয়েছে ২ হাজার ৭২ জন। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে নিবন্ধিত ছিল ২ হাজার ৭৭০ জন, অংশ নিয়েছে ২ হাজার ৭২২ জন। মনিপুর স্কুলে নিবন্ধিত ছিল ৩ হাজার ৪৯০ জন, অংশ নিয়েছে ৩ হাজার ৩৫৯ জন। অর্থাৎ এই প্রতিষ্ঠানগুলোতেও শত শত শিক্ষার্থী পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

এ বিষয়ে নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, প্রথম দফার টেস্ট পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করেছিল। অভিভাবকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে অনেকেই নির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় এসএসসি পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করতে পারেনি।

"শতভাগ পাশ দেখানোর জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়।"

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ বুলবুল বলেন, নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেছিল কতজন আর পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে কতজন—এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানা নেই।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে নবম শ্রেণিতে ভর্তি বা নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা, এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাশের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার হার—সব তথ্য একসঙ্গে প্রকাশ করা উচিত। তাহলে অভিভাবকরা বুঝতে পারবেন, শতভাগ পাশের পেছনে প্রতিষ্ঠানটি কতজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে কাজ করেছে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, শুধু পাশের হার বা জিপিএ-৫ দিয়ে শিক্ষার মান নির্ধারণ করা উচিত নয়। এই প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীর মানসিক চাপও বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘ভালো ফল করতেই হবে’, ‘জিপিএ-৫ পেতেই হবে’—এমন প্রত্যাশা অনেক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ সময় পড়াশোনার চাপের মধ্যে রাখে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, শতভাগ পাশের হার দেখানোর জন্য কিছু প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থেকে বিরত রাখতে পারে কিনা—এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ কামাল হোসেন, শাহ বুলবুল, জিয়াউল কবির দুলু, অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩৪, ৫৫১, ৭০, ১৩১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖