📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিবের উপর হামলার অভিযোগে পাঁচজনকে নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিবের উপর হামলার অভিযোগে পাঁচজনকে নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। গত ১০ আগস্ট রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলি আদালতে মামলাটি করেন সালাহউদ্দিন আম্মার। বিষয়টি জানা যায় ১৮ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিবের উপর হামলার অভিযোগে পাঁচজনকে নিয়ে মামলা দায়ের
- 📌 অভিযুক্তরা হলেন মো. আনাস, মাহমুদ হাসান মাহিন, মামুন মিয়া, মাহফুজুল ইসলাম নয়ন ও আজহারুল ইসলাম
- 📌 মামলায় জোরপূর্বক অফিসে প্রবেশ, মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত ও ভাঙচুরের অভিযোগ
- 📌 ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে
- 📌 অভিযুক্তরা লোহার রড, বাঁশ ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিবের উপর হামলার অভিযোগে পাঁচজনকে নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। গত ১০ আগস্ট রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলি আদালতে মামলাটি করেন সালাহউদ্দিন আম্মার। বিষয়টি জানা যায় ১৮ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনাস, সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদ হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আজহারুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনের জিএসের অফিসে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় সালাহউদ্দিন আম্মার রাকসুর জিএসের অফিসে দাপ্তরিক কাজ করছিলেন। অভিযুক্তরা লোহার রড, বাঁশ ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অবৈধভাবে সমবেত হয়ে তার অফিসের সামনে জড়ো হন। তারা রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠে তার ২০২ নম্বর অফিস কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অফিসে প্রবেশের পর অভিযুক্তরা সালাহউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে তাকে কিল-ঘুসি মেরে আহত করা হয়। একই সঙ্গে তার অফিসের চেয়ার-টেবিল ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
"আমার সম্পাদকদের ওপর হামলা হয়েছে। এটা আমার কাছে মনে হয়, জাস্ট ফর কনসার্ন আর কিছুই না। এটা নিয়ে পরবর্তীতে একটা গেম খেলবে সরকার। এজন্য আমার সম্পাদকদেরকে ইনভলভ করে একটা মামলা করেছি। এটা শুধু কনসার্ন করে রাখা, এছাড়া আর কিছু না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আসামি, ২৭ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিট, আনুমানিক ১ লাখ টাকা ক্ষতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!