📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসুর নির্বাচন: মেয়াদ শেষ হলেও ভোটের তারিখ অজানা, প্রশাসন নীরব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসুর নির্বাচন: মেয়াদ শেষ হলেও ভোটের তারিখ অজানা, প্রশাসন নীরব

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) এক বছরের মেয়াদ শেষ হলেও পরবর্তী নির্বাচনের কোনো প্রস্তুতি নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত নির্বাচন আয়োজনের দাবি ও প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে আলোচনা চলছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচিত কমিটির এক বছরের মেয়াদ গতকাল শেষ হলেও পরবর্তী নির্বাচনের কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি শুরু হয়নি। ৩৫ বছর পর সচল হওয়া রাকসুর এই প্রথম মেয়াদ শেষ হলেও প্রশাসন নির্বাচন আয়োজনের কোনো উদ্যোগ দেখাচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত নির্বাচন আয়োজনের দাবি ও প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গতকাল শেষ হলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাকসুর এক বছরের মেয়াদ, কিন্তু পরবর্তী নির্বাচনের কোনো প্রস্তুতি নেই
  • 📌 গত ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শিবির-সমর্থিত জোট ২৩টি কেন্দ্রীয় পদে ২০টি জিতেছিল, কিন্তু তাদের প্রতিশ্রুতি ছিল নিয়মিত নির্বাচন আয়োজন
  • 📌 রাকসুর সহসভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেছেন, প্রশাসন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না, যা হতাশাজনক
  • 📌 রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান জানান, নির্বাচন প্রস্তুতির কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, তাই তফসিল ঘোষণা হয়নি
  • 📌 উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচন নির্ভর করছে ভর্তি পরীক্ষা, পরিবেশ-পরিস্থিতি ও আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষায়

📰 বিস্তারিত

গত ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে শিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ ২৩টি কেন্দ্রীয় পদে ২০টি জয় পেয়েছিল। নির্বাচনের আগে জোটটির ২৪ দফা ইশতেহারে ছিল রাকসু নির্বাচন নিয়মিত করার প্রতিশ্রুতি। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার এক বছর পরও পরবর্তী নির্বাচনের কোনো প্রস্তুতি দেখা যায়নি।

রাকসুর সহসভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘পূর্ববর্তী প্রশাসনের তুলনায় বর্তমান প্রশাসন নির্বাচন নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তারা কোনো গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় আছে। সরকারের কাছ থেকে এমন সংকেত না পেলে বিষয়টি হতাশাজনক হয়ে দাঁড়াবে। রাকসু নিয়ে প্রশাসনের দায়সারা মনোভাব স্পষ্ট।’

রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান জানান, ‘রাকসু নির্বাচন নিয়ে উপাচার্যের কাছ থেকে কোনো বার্তা পাইনি। গঠনতন্ত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময়সীমা উল্লেখ নেই। তাই এখন পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এই মুহূর্তে নেই।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমরা আশাবাদী। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করব। তবে প্রথমত, রাকসুর আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা (অডিট) করতে হবে। এরপর আগের খরচসহ পুরো হিসাব সমন্বয় করতে হবে। এসব কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তফসিল ঘোষণার প্রশ্ন আসে না।’

"পূর্ববর্তী প্রশাসনের তুলনায় বর্তমান প্রশাসন নির্বাচন নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তারা কোনো গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় আছে।"
"রাকসু নির্বাচন নিয়ে উপাচার্যের কাছ থেকে কোনো বার্তা পাইনি। গঠনতন্ত্রে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময়সীমা উল্লেখ নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তাকুর রহমান জাহিদ (রাকসুর সহসভাপতি), অধ্যাপক সেতাউর রহমান (রাকসুর কোষাধ্যক্ষ), অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম (উপাচার্য ও রাকসুর সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ অক্টোবর (গত নির্বাচন), ২৬ অক্টোবর (শপথ), ৩৫ বছর (রাকসুর সচল হওয়ার সময়), ৮০ দিন (তফসিল থেকে ভোট পর্যন্ত), ২৩টি (কেন্দ্রীয় পদ), ২০টি (জয়ী পদ), ২৪ দফা (ইশতেহার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖