📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের শিক্ষার্থী নুরনবী ইসলাম ঘুমন্ত অবস্থায় পাতি কালাচ সাপের কামড়ে আহত হন। রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, দুটি ডোজ অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। সাপ উদ্ধার করা হয় এবং সাপের সংখ্যা সম্পর্কে তথ্য দেয়া হয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের শিক্ষার্থী নুরনবী ইসলাম ঘুমন্ত অবস্থায় বিষধর পাতি কালাচ সাপের কামড়ে আহত হন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টায় হলের ১৩৮ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা শুরু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নুরনবী ইসলাম (২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী) ঘুমন্ত অবস্থায় পাতি কালাচ সাপের কামড়ে আহত হন।
- 📌 রামেকের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামীম আহমেদ নিশ্চিত করেছেন, আহত শিক্ষার্থীকে দুটি ডোজ অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সোয়ান রাবি শাখা’ উদ্ধার করেছে বিষধর সাপটি। সামিত বিন রহমান জানান, চলতি মাসে ১০ থেকে ১৫টি সাপ উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে কালাচ ও গোখরাও অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 হলের প্রাধ্যক্ষ ড. আল-আমিন সরকার জানান, হলের আশপাশে সাপ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু পাঁচতলায় সাপের উপস্থিতি উদ্বেগজনক।
- 📌 ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ এইচ এম খুরশীদ আলম বলেন, আহত শিক্ষার্থীর অবস্থা স্থিতিশীল এবং আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রোববার ভোরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের ১৩৮ নম্বর কক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় শিক্ষার্থী নুরনবী ইসলাম পাতি কালাচ সাপের কামড়ে আহত হন। ঘটনার পর তিনি সহপাঠীদের জানান এবং দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) নিয়ে যাওয়া হয়। রামেকের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামীম আহমেদ জানান, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে যে, শিক্ষার্থীকে বিষধর পাতি কালাচ সাপ দংশন করেছে। ইতিমধ্যে তাঁকে দুটি ডোজ অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নত ও আশঙ্কামুক্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সোয়ান রাবি শাখা’ উদ্ধার করেছে বিষধর সাপটি। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সামিত বিন রহমান জানান, চলতি মাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ থেকে ১৫টি সাপ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই নির্বিষ সাপ, তবে বিষধর সাপের মধ্যে কালাচ ও গোখরাও অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, বিষধর সাপের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কালাচ ও গোখরার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। এসব সাপ সাধারণত রাতের বেলায় বেশি সক্রিয় থাকে এবং এ সময়ই বের হয়। তাই রাতে শিক্ষার্থীদের চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ এইচ এম খুরশীদ আলম জানান, আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে এবং আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। হলের প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি বলেন, সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখছেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মনিটর করছেন।
হলের প্রাধ্যক্ষ ড. আল-আমিন সরকার জানান, এর আগেও হলে সাপ ঢোকার ঘটনা ঘটেছিল। এরপর হলের আশপাশের ঘাস পরিষ্কার করা হয়েছে, সাপ প্রতিরোধে সার্কেল দেওয়া হয়েছে এবং সামনের দুই পাশে ব্লিচিং পাউডার দেওয়া হয়েছে। তবে পাঁচতলায় সাপ পাওয়ার ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন। সাপটি কীভাবে রুমে ঢুকেছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
"বিষধর সাপের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কালাচ ও খয়েগোখরার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। এসব সাপ সাধারণত রাতের বেলায় বেশি সক্রিয় থাকে এবং এ সময়ই বের হয়। তাই রাতে শিক্ষার্থীদের চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।"
"আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। ইতিমধ্যে তাঁকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শহীদ শামসুজ্জোহা হল, ১৩৮ নম্বর কক্ষ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরনবী ইসলাম (শিক্ষার্থী), শামীম আহমেদ (চিকিৎসক), সামিত বিন রহমান (সোয়ান রাবি শাখা সাধারণ সম্পাদক), ড. এ এইচ এম খুরশীদ আলম (ছাত্র উপদেষ্টা), ড. আল-আমিন সরকার (হলের প্রাধ্যক্ষ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর, ভোর সাড়ে ৫টা, ১৩৮ নম্বর কক্ষ, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ, ১০ থেকে ১৫টি সাপ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!