📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোয়েন্দা যাচাইতে আটকে পড়েছে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: ২৭০০-এরও বেশি প্রার্থী বাদ পড়ার অভিযোগ

গোয়েন্দা যাচাইতে আটকে পড়েছে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: ২৭০০-এরও বেশি প্রার্থী বাদ পড়ার অভিযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের মধ্যে ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি প্রার্থীকে গোয়েন্দা যাচাইয়ের নামে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। পিরোজপুরের শারীরিক প্রতিবন্ধী জাহিদ হাসানের মতো শত শত প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে গোয়েন্দা যাচাইয়ের নামে ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি ব্যক্তিকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। পিরোজপুরের মো. জাহিদ হাসানের মতো শত শত চাকরিপ্রার্থীকে এই অন্যায়ের শিকার হতে দেখা গেছে। জাহিদের মেধাক্রম ছিল ৫৪তম এবং তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটায় সুপারিশপ্রাপ্ত ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রার্থীকে গোয়েন্দা যাচাইয়ের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ১১টি জেলায় বাদ পড়ার সংখ্যা ৫৫৪ জন, যেখানে মোট বাদ পড়া প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি।
  • 📌 ৬১টি জেলায় মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছিল, কিন্তু তাদের মধ্যে ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি।
  • 📌 পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা যাচাইয়ের কাজে জড়িত রয়েছে, যা রাজনৈতিক বিবেচনার নামে প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 জাহিদ হাসান (৫৪তম মেধাক্রম) এবং অন্য শত শত প্রার্থীকে নিয়োগপত্র না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

📰 বিস্তারিত

পিরোজপুরের মো. জাহিদ হাসান জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় সুপারিশপ্রাপ্ত ৮৩ জনের মধ্যে মেধাক্রমে ৫৪তম ছিলেন। তিনি চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছিলেন, কিন্তু অন্য অনেকের তুলনায় নিয়োগপত্র পাননি। জাহিদের অভিযোগ, শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটায় থাকা সত্ত্বেও তাঁকে যাচাইয়ের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে। জাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, নিয়োগপত্র না পাওয়ার খবর শুনে তাঁর মা কাঁদতে শুরু করেন এবং বাবা ভেঙে পড়েছেন।

সূত্র জানায়, পুলিশের পাশাপাশি একটি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাইয়ের কাজ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে জানা যায়, ১১টি জেলায় বাদ পড়ার সংখ্যা ৫৫৪ জন। এসব জেলার মধ্যে রয়েছে ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর, ঝালকাঠি, নীলফামারী, কুষ্টিয়া, জামালপুর, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর, নড়াইল ও সুনামগঞ্জ।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১টি জেলায় মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১ অক্টোবর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকায় নাম না থাকা ব্যক্তিদের তথ্য বেরিয়ে আসে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার কথা ছিল। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মতো জায়গায় রাজনৈতিক বিবেচনা অশনিসংকেত। তিনি আরও বলেন, সাধারণ নিয়ম হলো কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে এবং অপরাধে জড়ানোর তথ্য থাকলে তাঁকে নিয়োগের জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা যায়। কিন্তু বাস্তবে যাচাইয়ের নামে প্রার্থী বা তাঁর পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা খোঁজা হয়।

"এই চর্চা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তা বন্ধ হয়নি। বর্তমান সরকারের আমলেও তা দেখা যাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ৬১টি জেলা (ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর, ঝালকাঠি, নীলফামারী, কুষ্টিয়া, জামালপুর, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর, নড়াইল, সুনামগঞ্জ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ৭০০ জন বাদ পড়া প্রার্থী, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত, ৫৫৪ জন (১১টি জেলায় বাদ পড়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖