📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি বিভাগের সভাপতি ড. মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠে, কিন্তু অভিযোগকারী নাসিমা খাতুন তিনদিন পর তা প্রত্যাহার করেন। ঘটনার বিস্তারিত জানুন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের সভাপতি ড. মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠে, যা অভিযোগকারী নাসিমা খাতুন নিজেই তিনদিন পর প্রত্যাহার করেছেন। অভিযোগটি ১৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়, কিন্তু ১৯ সেপ্টেম্বর তা প্রত্যাহার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠে, যা অভিযোগকারী নাসিমা খাতুন নিজেই প্রত্যাহার করেন
- 📌 নাসিমা খাতুনের অভিযোগে বলা হয়, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বিয়ের প্রস্তাব দিলেও পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়
- 📌 অভিযোগ প্রত্যাহারের চিঠিতে নাসিমা খাতুন বলেন, ঘটনাটি ব্যক্তিগত ঝামেলা এবং অন্যদের প্ররোচনায় করা হয়েছিল
- 📌 অভিযোগের সময় নাসিমা খাতুনের মেয়ে গ্রামে ছিল এবং অধ্যাপক তাকে বাসায় ডেকে নিয়ে যান, যেখানে ঘটনা ঘটে
- 📌 অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, তিনি কল কেটে দেন
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের সভাপতি ড. মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে, যেখানে অভিযোগকারী নাসিমা খাতুন বলেন, তিনি এক বছর ধরে অধ্যাপকের সঙ্গে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তবে অভিযোগের তিনদিন পর তিনি তা প্রত্যাহার করেন। নাসিমা খাতুনের অভিযোগে বলা হয়, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং তার স্ত্রী ও সন্তান বিদেশে থাকা অবস্থায় তাদের সম্পর্কের কথা জানান। কিন্তু বিয়ের কথা বলার পর তিনি তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।
নাসিমা খাতুনের বিবরণে জানা যায়, তার মেয়ে গ্রামে থাকার সময় অধ্যাপক তাকে বাসায় ডেকে নিয়ে যান এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের ঘটনা ঘটে। পরে তিনি বিয়ের কথা বললে অধ্যাপক তাকে থাপ্পড় মারেন। ঘটনার পর তারা পাঁচজন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিয়ে হয়, কিন্তু কাবিন রেজিস্ট্রার সময় অধ্যাপকের আগের বৈবাহিক অবস্থা প্রকাশ পায় এবং তিনি স্বাক্ষর না করে চলে যান।
অভিযোগ প্রত্যাহারের চিঠিতে নাসিমা খাতুন লিখেন, ‘প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে আমি অবৈধ সম্পর্কের যে অভিযোগটি করেছিলাম, সেটা ব্যক্তিগত ঝামেলা এবং অন্যদের প্ররোচনায় করা হয়েছিল। তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ, আমার আর কোনো অভিযোগ নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। এখন সব ঠিক হয়ে গেছে।’
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের সভাপতি এবং রাজশাহী জেলা জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সভাপতি। অভিযোগের বিষয়ে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, তিনি কল কেটে দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগপত্রটি আমরা পেয়েছি। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। প্রাথমিক সত্যতা পেলে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।’
"প্রফেসর মাহবুবুর রহমান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত এক বছর ধরে যৌন সম্পর্ক করেছেন, কিন্তু এখন বিয়ে নিয়ে তালবাহানা করছেন। তাই আমার অভিযোগ আমলে নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আকুল আবেদন জানাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. মাহবুবুর রহমান, নাসিমা খাতুন, ড. মো. ফরিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর (অভিযোগ জমা), ১৯ সেপ্টেম্বর (প্রত্যাহার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!