📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের দৃষ্টিভঙ্গি: শিক্ষার্থীবান্ধব ও গবেষণানির্ভর ক্যাম্পাস গড়াই লক্ষ্য

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের দৃষ্টিভঙ্গি: শিক্ষার্থীবান্ধব ও গবেষণানির্ভর ক্যাম্পাস গড়াই লক্ষ্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম উপাচার্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে অনিয়ম দূরীকরণ, নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পবিপ্রবির ১১তম উপাচার্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান
  • 📌 তিনি ২০০৪ সালে পবিপ্রবিতে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং ২০২৪ সালে গ্রেড-১ অধ্যাপক হন
  • 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার কেয়ংবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৩ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে ১৬ বছরের অনিয়ম দূরীকরণের উদ্যোগ নিয়েছেন
  • 📌 নতুন হেলথ সায়েন্স অনুষদ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় অনুমোদিত হয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীদের বাসভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ এবং ক্যাম্পাসকে র্যাগিংমুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন
  • 📌 বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপের ব্যবস্থা করেছেন

📰 বিস্তারিত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টির সার্বিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে বলে জানা গেছে।

অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান ২০০৪ সালে পবিপ্রবিতে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০২৪ সালে গ্রেড-১ অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। দক্ষিণ কোরিয়ার কেয়ংবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৩ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। উপাচার্য হিসেবে যোগদানের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সার্বিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম দূরীকরণ, নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। তিনি বলেন, "আমি যে উদ্যোগগুলো নিয়েছি, সেগুলোর প্রতি সাড়া দিয়েছেন উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, প্রক্টরিয়াল বডি, অ্যাডভাইজরি বডি, প্রভোস্ট কাউন্সিল, সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই। তাঁদের সহযোগিতা শুধু অফিস সময়েই নয়, রাত ১২টা-১টা পর্যন্তও প্রশাসনিক বডিগুলো কাজ করছেন।"

"আমাকে খুশিমনে গ্রহণ করেছে। আমি যে উদ্যোগগুলো নিয়েছি, সেগুলোর প্রতি সাড়া দিয়েছেন উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, প্রক্টরিয়াল বডি, অ্যাডভাইজরি বডি, প্রভোস্ট কাউন্সিল, সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই। তাঁদের সহযোগিতা শুধু অফিস সময়েই নয়, রাত ১২টা-১টা পর্যন্তও প্রশাসনিক বডিগুলো কাজ করছেন। আমিসহ বর্তমান প্রশাসনের চাওয়া হলো বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষা ও গবেষণাকে এগিয়ে নেওয়া। তাঁরা বিষয়টি অনুধাবন করে সার্বিক সহযোগিতা করছেন। এটি প্রমাণ করে, পবিপ্রবি পরিবার আমাকে ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। আমি আশাবাদী, সবার সহযোগিতায় এ প্রতিষ্ঠানকে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’-এ পরিণত করতে পারব, ইনশা আল্লাহ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পটুয়াখালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ (উপাচার্যের পদ), ১৬ (বছরের অনিয়ম), ১০ (টি অনুষদ), ৫৮ (তম রিজেন্ট বোর্ড সভা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖