📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মরণোত্তর গুণীজন সম্মাননা: জাবির সাবেক উপাচার্য মুস্তাহিদুর রহমানের অবদানকে স্বীকৃতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

মরণোত্তর গুণীজন সম্মাননা: জাবির সাবেক উপাচার্য মুস্তাহিদুর রহমানের অবদানকে স্বীকৃতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মুস্তাহিদুর রহমানকে মরণোত্তর ‘গুণীজন শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান করেছে। শিক্ষা ও গবেষণায় তার দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়

জাতীয় শিক্ষক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানকে মরণোত্তর ‘গুণীজন শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান করেছে। শিক্ষা ও গবেষণায় তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মরণোত্তর সম্মাননা: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মুস্তাহিদুর রহমানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘গুণীজন শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান করেছে।
  • 📌 সম্মাননা গ্রহণ: তার মেয়ে ও জাবির ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. তাসমিনা রহমান সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।
  • 📌 উপাচার্যের বার্তা: জাবির উপাচার্য ড. নূরুল ইসলাম বলেছেন, মুস্তাহিদুর রহমান ছিলেন একজন নিবেদিত শিক্ষক ও দূরদর্শী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসক।
  • 📌 বিশেষ অবদান: তিনি ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি জাবিরে প্রথম ক্লাস নেওয়ার গৌরব অর্জন করেন এবং ১৪তম উপাচার্য হিসেবে ২০০৪-২০০৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

📰 বিস্তারিত

৫ অক্টোবর রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাবির উপাচার্য ড. নূরুল ইসলামের বার্তায় বলা হয়, ‘অধ্যাপক মুস্তাহিদুর রহমান ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, প্রজ্ঞাবান শিক্ষাবিদ ও দূরদর্শী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসক। শিক্ষা ও গবেষণার প্রসার, জ্ঞানচর্চা এবং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

মরণোত্তর সম্মাননা পাওয়ায় অধ্যাপক মুস্তাহিদুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এই সম্মাননা তার দীর্ঘদিনের শিক্ষা ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চায় অবদান রাখা শিক্ষকদের প্রতি রাষ্ট্রের সম্মান ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশও এ সম্মাননা।’

অধ্যাপক মুস্তাহিদুর রহমানের কর্ম ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপাচার্য। তিনি অধ্যাপকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

"অধ্যাপক মুস্তাহিদুর রহমান ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, প্রজ্ঞাবান শিক্ষাবিদ ও দূরদর্শী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসক। শিক্ষা ও গবেষণার প্রসার, জ্ঞানচর্চা এবং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, ড. তাসমিনা রহমান, ড. নূরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর, ১৪তম উপাচার্য, ২০০৪-২০০৮, ১২ জানুয়ারি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖