📌 জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ইয়ুথনেট গ্লোবালের যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় ‘নেক্সজেন গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ প্রোগ্রাম’ শুরু হয়েছে। ৩ বছরে ৮০ জন সদ্য স্নাতককে প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অর্থায়ন করছে
ঢাকায় সদ্য স্নাতকদের কর্মক্ষেত্রে প্রস্তুতির জন্য একটি উদ্ভাবনী কর্মসূচি আজ রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ইয়ুথনেট গ্লোবালের যৌথ উদ্যোগে ‘নেক্সজেন গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ প্রোগ্রাম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি খাতের শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এই ৩ বছরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, সততা, দায়িত্ববোধ ও বহুমুখী দক্ষতা গড়ে তোলা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৮০ জন সদ্য স্নাতক** অংশ নেবেন ৪টি ব্যাচে বিভক্ত ৩ বছরের প্রশিক্ষণে
- 📌 প্রতিটি ব্যাচে **৬ মাস** মেয়াদ, প্রথম ৩ মাসে পাঠদান ও মেন্টরশিপ, পরের ৩ মাসে ইন্টার্নশিপ
- 📌 **সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন** অর্থায়ন করছে ‘নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড’ আওতায়
- 📌 **ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ** একাডেমিক পার্টনার হিসেবে অংশগ্রহণ করছে
- 📌 ইয়ুথনেট গ্লোবালের **সোহানুর রহমান** বলেছেন, কর্মসূচির লক্ষ্য তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশ
- 📌 জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের **করভি রাকসান্দ** বলেছেন, বিভিন্ন খাতের অভিজ্ঞতা ফেলোদের ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজে সহায়তা করবে
📰 বিস্তারিত
আজ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সদ্য স্নাতকদের শুধু চাকরির প্রস্তুতি নেই, বরং সততা, দায়িত্ববোধ ও বহুমুখী দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের ৩ বছরে ৪টি ব্যাচে বিভক্ত করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি ব্যাচে ২০ জন সদ্য স্নাতককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রথম তিন মাসে পাঠদান, মেন্টরশিপ ও দলগত প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। এরপর পরবর্তী তিন মাসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ প্রদান করা হবে।
কর্মসূচিটি সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। একাডেমিক পার্টনার হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। অর্থায়ন করছে সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনায় ইয়ুথনেট গ্লোবালের এক্সিকিউটিভ কো-অর্ডিনেটর **সোহানুর রহমান** বলেন, “এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো তরুণ গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা, নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা। তারা দেশের বিভিন্ন খাতের সাথে যুক্ত হয়ে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করবে, যা তাদের ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে সহায়তা করবে।”
জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক **করভি রাকসান্দ** বলেন, “বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা তরুণ ফেলোদের ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজ করতে সহায়তা করবে। এই কর্মসূচি তাদের কর্মক্ষেত্রে প্রস্তুতির পাশাপাশি সততা ও দায়িত্ববোধের মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।”
"তরুণ গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা, নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (রাজধানীর একটি হোটেল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহানুর রহমান (ইয়ুথনেট গ্লোবাল), করভি রাকসান্দ (জাগো ফাউন্ডেশন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ জন (ফেলো), ৪টি ব্যাচ, ৩ বছর মেয়াদ, ৬ মাস প্রতিটি ব্যাচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!