📌 ময়মনসিংহ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমেছে ১ লাখের বেশি। অভিভাবকদের অসচেতনতা, দারিদ্র্য ও বিকল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রবণতাকে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
ময়মনসিংহ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী কমেছে এক বছরের ব্যবধানে ১ লাখের বেশি। অভিভাবকদের অসচেতনতা, দারিদ্র্য ও বিকল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের ভর্তির প্রবণতাই এর প্রধান কারণ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী কমেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ জন
- 📌 ২০২৫ সালে যেখানে শিক্ষার্থী ছিল ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬৮ জন, সেখানে ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৮২২ জন
- 📌 তারাকান্দা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমেছে ৪৬ জন থেকে ১০৪ জনে
- 📌 গফরগাঁও উপজেলায় শিক্ষার্থী কমেছে ৬০ হাজার ৮১৫ জন থেকে ৩৫ হাজার ২৭ জনে
- 📌 প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ২০২৪ সালে ছিল ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী কমেছে এক বছরের ব্যবধানে ১ লাখের বেশি। জেলার ১৩টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২ হাজার ১৪০টি। ২০২৫ সালে যেখানে শিক্ষার্থী ছিল ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬৮ জন, সেখানে ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৮২২ জন। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে শিক্ষার্থী কমেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ জন।
তারাকান্দা উপজেলার পিঠাসূতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মিনতী রানী কর জানান, ২০২২ সালে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ছিল ১৫০ জন। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০৪ জনে। তিনি বলেন, ‘ঝরে পড়া রোধে নিয়মিত হোম ভিজিট করা হচ্ছে। কিন্তু অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না।’
গফরগাঁও উপজেলায় শিক্ষার্থী কমেছে সবচেয়ে বেশি। ২০২০ সালে যেখানে শিক্ষার্থী ছিল ৬০ হাজার ৮১৫ জন, সেখানে ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ২৭ জনে। গফরগাঁও উপজেলার বাতেনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ অভিভাবকদের সঙ্গে বিদ্যালয়ের যোগাযোগ কমে যাওয়া এবং দরিদ্র পরিবারের কিছু শিশুর অল্প বয়সে বিভিন্ন ধরনের কাজে যুক্ত হওয়া।’
‘ছেলেরে ঢাকায় দরজির কাজ শিখনের লাইগা দিছি। দুই বছর পেডেভাতে কাজ শিখব। ছেলেও পড়তে চায় না, সংসারেও অভাব।’ — রেখা আক্তার, আবু রায়হানের মা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহ জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিনতী রানী কর (প্রধান শিক্ষক), মো. রফিকুল ইসলাম (সাবেক প্রধান শিক্ষক), রেখা আক্তার (আবু রায়হানের মা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১২ হাজার ৭৪৬ জন, ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬৮ জন, ৪ লাখ ২৫ হাজার ৮২২ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!