📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা শহরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমে ৩০% বাইরে পড়ছে কিন্ডারগার্টেনে

খুলনা শহরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমে ৩০% বাইরে পড়ছে কিন্ডারগার্টেনে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা শহরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। একাডেমিক অবকাঠামো ও শিক্ষকসংকটের কারণে প্রতি ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন বাইরে পড়ছে কিন্ডারগার্টেনে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতে, নিরাপত্তা, মান ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের অভাবই প্রধান কারণ

খুলনা শহরের শিববাড়ী এলাকার মেহমানে আলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একসময় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩২০ জন। কিন্তু বর্তমানে এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১১০ জনে। একাডেমিক সাফল্যের অভাব ও অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীরা বাইরে পড়তে বাধ্য হচ্ছে। খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে পড়ছে। তাদের অধিকাংশ কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনা শহরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে ৩০% বাইরে পড়ছে কিন্ডারগার্টেনে
  • 📌 ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত মেহমানে আলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৩ সালে ছিল ৩২০ শিক্ষার্থী, বর্তমানে মাত্র ১১০
  • 📌 বৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়ের শৌচাগারে পানি ওঠে, শিক্ষার্থীরা কাদা-পানিতে ডুবে থাকা মাঠে খেলতে বাধ্য
  • 📌 শিক্ষকসংকট, অবকাঠামোগত দুরবস্থা ও নিরাপত্তার অভাবের কারণে অভিভাবকরা সন্তানকে কিন্ডারগার্টেনে পাঠাচ্ছেন
  • 📌 খুলনা বিভাগে ১০ জেলায় মোট শিক্ষার্থী ১৭ লাখ ৯৭১, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে মাত্র ১১ লাখ ৮২ হাজার ৭২৯ জন

📰 বিস্তারিত

খুলনা শহরের শিববাড়ী এলাকার মেহমানে আলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক যুগ আগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩২০ জন। কিন্তু বর্তমানে এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১১০ জনে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি একাডেমিক সাফল্যও উল্লেখযোগ্য নয়। গত বছর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া দুজন শিক্ষার্থীর মধ্যে কেউই বৃত্তি পায়নি।

শিক্ষকদের মতে, করোনা পরবর্তী সময়ে অনেক অভিভাবক খুলনা শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে গিয়েছেন। এছাড়াও, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো জরাজীর্ণ। দোতলা ভবনের পাশাপাশি টিনের ঘরে পাঠদান করা হয়। নিচতলার পঞ্চম শ্রেণির কক্ষে জানালায় গ্রিল নেই, শুধু কপাট আছে। সেখানে ক্লাসে উপস্থিত ছিল মাত্র তিন শিক্ষার্থী। গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে হাজির ছিল মাত্র ২৮ শিক্ষার্থী। বৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়ের ছোট মাঠ কাদা-পানিতে ডুবে ছিল।

খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে পড়ছে। তাদের অধিকাংশ কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হচ্ছে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতে, সরকারি স্কুল সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। শিক্ষকসংকট, অবকাঠামোগত দুরবস্থা ও সহায়ক কর্মীদের ঘাটতি রয়েছে।

খুলনা নগরের নিরালা এলাকার অভিভাবক সোনিয়া আক্তার বলেন, কিন্ডারগার্টেনে শেখানোর পরিবেশ আনন্দদায়ক। শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাও সহজ। সন্তান চাইলেই স্কুল গেট দিয়ে বের হতে পারে না।

"শিক্ষার্থী পাওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকসংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যা প্রধান কারণ"

— প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) আছমা খাতুন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা শহর, শিববাড়ী এলাকা, মেহমানে আলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক আছমা খাতুন, অভিভাবক সোনিয়া আক্তার, শিক্ষক ও অভিভাবকদের দল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০% (বাইরে পড়া শিক্ষার্থী), ৩২০ জন (১৯৭২ সালে শিক্ষার্থী), ১১০ জন (বর্তমান শিক্ষার্থী), ১৭ লাখ ৯৭১ জন (মোট শিক্ষার্থী), ১১ লাখ ৮২ হাজার ৭২৯ জন (গভঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖