📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিপিএ-৫ পেলেও দুর্দশায় মা-মেয়ের সংগ্রাম: দুর্ঘটনায় বাবা হারিয়ে পড়া সেঁজুতি ও তার পরিবার

জিপিএ-৫ পেলেও দুর্দশায় মা-মেয়ের সংগ্রাম: দুর্ঘটনায় বাবা হারিয়ে পড়া সেঁজুতি ও তার পরিবার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুর্ঘটনায় বাবা হারিয়ে পড়া সেঁজুতি ইসলাম জিপিএ-৫ পেলেও পরিবারের অর্থনৈতিক সংকটে মা ফাতেমা খাতুনের অসুস্থতা ও দুর্দশার কথা উঠে আসে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। নাটোরে অনুষ্ঠিত জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে পরিবারের সংগ্রামের গল্প শোনা যায়।

নাটোর জেলায় অনুষ্ঠিত জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে একটি দুঃখজনক পরিবারের সংগ্রামের গল্প উঠে আসে। সেঁজুতি ইসলামের বাবা শহিদুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান যখন সে মাত্র দুই বছর বয়সী ছিল। বাবা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে কর্মরত ছিলেন এবং পরিবার প্রতি মাসে পেতো চার হাজার টাকা। কিন্তু এই টাকায় তিন সদস্যের পরিবারের জীবনযাপন সম্ভব হয়নি। অর্থনৈতিক সংকটে ভাড়া বাসা ছেড়ে ফাতেমা খাতুন দুটি মেয়েকে নিয়ে ফুফুর বাসায় চলে আসেন। এখনও সেখানেই থাকেন তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সেঁজুতি ইসলাম জিপিএ-৫ পেলেও মা ফাতেমা খাতুন মাসে দুই ব্যাগ রক্ত দিতে বাধ্য — দুর্ঘটনায় বাবা হারিয়ে পড়া পরিবারের সংগ্রামের গল্প উঠে আসে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে
  • 📌 পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড থেকে আগামী বছর টাকা পাওনা বন্ধ হলে মেয়েদের পড়াশোনা কীভাবে চলবে, তা নিয়ে মা দুশ্চিন্তায়
  • 📌 ইভা খাতুন ও তার বাবা ইউসুফ আলী দুর্ঘটনায় শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়লেও মেয়েকে চিকিৎসক বানানোর স্বপ্ন নিয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন
  • 📌 ৬৪ জেলায় অনুষ্ঠিত জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে নাটোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে
  • 📌 ৮ টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ১০ টাতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়

📰 বিস্তারিত

সেঁজুতি ইসলামের বাবা শহিদুল ইসলাম পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর পর পরিবারকে প্রতি মাসে চার হাজার টাকা দেওয়া হত। কিন্তু এই টাকায় তিন সদস্যের পরিবারের জীবনযাপন সম্ভব হয়নি। অর্থনৈতিক সংকটে ফাতেমা খাতুন ভাড়া বাসা ছেড়ে দুটি মেয়েকে নিয়ে ফুফুর বাসায় চলে আসেন। এখনও সেখানেই তারা বসবাস করছেন। ফাতেমা খাতুন নিজেও ভীষণ অসুস্থ — মাসে দুই ব্যাগ রক্ত দিতে হয়। একটি দাতব্য সংস্থা তাঁকে রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করছে। আগামী বছর থেকে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড থেকে টাকা পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবার কারণে মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মা দুশ্চিন্তায়।

সেঁজুতি ও তার বাবা-মা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ফাতেমা খাতুন সেঁজুতির সঙ্গে শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পরিবারের এই সংগ্রামের কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম শিখোর পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়। ‘স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ স্লোগান নিয়ে সারা দেশে ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার ছাতনীভবানি গ্রামের ইভা খাতুন। তার বাবা ইউসুফ আলী দুর্ঘটনায় শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়লেও রিকশা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। তিনি মেয়েকে চিকিৎসক বানানোর স্বপ্ন নিয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নবাব সিরাজ উদ দৌলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিক নেওয়াজ তালুকদার বলেন, শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই হবে না, তা মানসম্মত হতে হবে। নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।

"আমাদের পরিবার দুর্ঘটনায় বাবা হারিয়ে পড়া সেঁজুতি ও ইভাদের মতো কৃতী শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর ছিল অনুষ্ঠান। তারা দুর্দশার মধ্যেও সফলতা অর্জন করেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাটোর জেলা পরিষদ মিলনায়তন, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেঁজুতি ইসলাম, ফাতেমা খাতুন, ইউসুফ আলী, ইভা খাতুন, মো. শফিক নেওয়াজ তালুকদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ জেলা, ৮ টা, ১০ টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖