📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপনে আয়োজিত সেমিনারে উপাচার্য ড. রইছ উদদীনসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাস ও জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের আয়োজন করে ইতিহাস বিভাগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
- 📌 সেমিনারের প্রধান আলোচক ছিলেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন
- 📌 উপাচার্যের বক্তব্যে উঠে আসে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী কাঠামোর বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাস
- 📌 সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. শহীদ কাদের চৌধুরী, ড. সাবিনা শারমীন ও ড. নাছির আহমাদ
- 📌 ছাত্রদল ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরেন
📰 বিস্তারিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের চূড়ান্ত প্রতিবাদ। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মতো জুলাই অভ্যুত্থানও ছিল জনযুদ্ধ, যেখানে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল।
অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীন বলেন, জুলাই আন্দোলনের সৃজনশীল কর্মসূচি ও নামকরণ ছিল যুগান্তকারী। তিনি জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে একাডেমিক আলোচনা ও সেমিনারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলের ১৭ বছরের নির্যাতনের বিরুদ্ধে ছাত্রজনতার সম্মিলিত সংগ্রামের ফলেই জুলাই অভ্যুত্থানের বিজয় সম্ভব হয়েছে। জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা মো. শাহীন মিয়া জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেন।
"জুলাই পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী কাঠামো যেন বাংলাদেশ আর ফিরে আসতে না পারে সে জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান উপাচার্য ড. রইছ উদদীন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ড. মো. রইছ উদদীন, ড. সাবিনা শারমীন, ড. নাছির আহমাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ১৭ বছর, ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!