📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে দু’বার সংঘর্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়। দু’জনকে মেডিকেলে ভর্তি করা হয়, অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা পান। ফুটবল টুর্নামেন্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে সকাল ও বিকেলে দু’বার সংঘর্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়। আজ সোমবার সকালে ইসলামের ইতিহাস ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বল থ্রো-ইন নিয়ে সংঘর্ষে ৭ জন আহত হন। বিকেলে আবার ফার্মেসি ও বায়োমেডিক্যাল বিভাগের খেলায় সংঘর্ষে আরও ৩ জন আহত হন। দু’জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে ভর্তি করা হয়, অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা পান। ফুটবল টুর্নামেন্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে সকাল ও বিকেলে দু’বার সংঘর্ষে মোট ১০ শিক্ষার্থী আহত হন
- 📌 সকালের খেলায় ইসলামের ইতিহাস ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বল নিয়ে সংঘর্ষে ৭ জন আহত হন, তাদের মধ্যে দু’জনকে কুষ্টিয়া শহরে উচ্চতর চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়
- 📌 বিকেলের খেলায় ফার্মেসি ও বায়োমেডিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩ জন আহত হন, তাদের মধ্যে একজন মাথায় আঘাত পেয়েছেন
- 📌 ফুটবল টুর্নামেন্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত খেলা বন্ধ থাকবে
- 📌 ক্রীড়া আয়োজক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক সরফরাজ নেওয়াজ বলেছেন, প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করার পর স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তবিভাগীয় ফুটবল খেলায় ইসলামের ইতিহাস ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। খেলার শেষ মুহূর্তে বল থ্রো-ইন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা ও চেয়ার নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীরা। এই সংঘর্ষে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী হুমায়ুন কবির ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মশিউর, আলিফ খান, আলিফ রাহাত, তোফাজ্জলসহ ৭ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দু’জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। আলিফ খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া শহরে পাঠানো হয়।
আহত হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘বল নিয়ে কথা-কাটাকাটি হওয়ার পর একজন আমাকে পেছন থেকে ধরে উল্টে ফেলে দেন। এরপর অন্যরা আমাকে এলোপাতাড়ি পা দিয়ে মাথায়-মুখে লাথি মারতে থাকেন। এতে আমার মুখ ও দাঁত ফেটে গেছে।’ অন্যদিকে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বলটি থ্রো-ইন হওয়ায় মশিউর বল আনতে যান। এ সময় ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা সময়ক্ষেপণের জন্য বলটি দূরে ফেলে দেন। এরপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীরা।
বিকেলে আবারও সংঘর্ষ ঘটে ফার্মেসি ও বায়োমেডিক্যাল বিভাগের খেলায়। খেলার এক পর্যায়ে ডি-বক্সের ভেতরে গোল ঠেকাতে গিয়ে ফার্মেসি বিভাগের একজন খেলোয়াড় মাটিতে পড়ে যান। এ ঘটনায় বায়োমেডিক্যাল বিভাগের দর্শকরা উত্তেজিত হয়ে যায়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। বায়োমেডিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসেন, কিন্তু অন্য দর্শকরা তাদের একজনের ওপরে চড়াও হন। এরপর ২০-৩০ জন শিক্ষার্থী তাকে ধাওয়া করেন। এই সংঘর্ষে আরও ৩ জন আহত হন।
"বল নিয়ে কথা-কাটাকাটি হওয়ার পর একজন আমাকে পেছন থেকে ধরে উল্টে ফেলে দেন। এরপর অন্যরা আমাকে এলোপাতাড়ি পা দিয়ে মাথায়-মুখে লাথি মারতে থাকেন। এতে আমার মুখ ও দাঁত ফেটে গেছে।"
"খেলার শেষ মুহূর্তে বল থ্রো-ইন হওয়ায় মশিউর বল আনতে যান। এ সময় ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা সময়ক্ষেপণের জন্য বলটি দূরে ফেলে দেন। এরপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবির, আলিফ খান, অধ্যাপক সরফরাজ নেওয়াজ, প্রক্টর অধ্যাপক শাহীনুজ্জামান, মেডিকেল চিকিৎসক বদিউজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত, ৭ জন সকালের সংঘর্ষে আহত, ৩ জন বিকেলের সংঘর্ষে আহত, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ, ১১ টা বেলা, ৩ টা বেলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!