📌 এইচএসসি পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, এর মধ্যে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন ফেল হয়। ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে সর্বাধিক ফেলের রেকর্ড গড়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার শিক্ষার্থী। শিক্ষামন্ত্রী পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ ঘোষণা করেন।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে সর্বাধিক শিক্ষার্থী ফেল হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ফলের সারসংক্ষেপ ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, এর মধ্যে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন ফেল হয়
- 📌 ইংরেজি বিষয়ে ফেল হয় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটি বিষয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন শিক্ষার্থী
- 📌 এইচএসসিতে গড় পাশের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ — ২১ বছরে সর্বনিম্ন
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন, ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এইচএসসি পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পাশ করেছেন। তবে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী ফেল হয়েছে। এদের মধ্যে ইংরেজি বিষয়ে সর্বাধিক ফেলের রেকর্ড গড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন শিক্ষার্থী। আইসিটি বিষয়ে ফেল হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।
এইচএসসি পরীক্ষায় গড় পাশের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ — যা ২০০৪ সালের ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশের পর সর্বনিম্ন। ২০০৪ সালের পর থেকে এবারই প্রথম পাশের হার এই মাত্রায় নেমেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি জানান, ফেল করা বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে।
"ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন ফেল, ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে ফেল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!