📌 ২০২৬ সালের এইচএসসি ফল প্রকাশিত হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। নতুন নিয়মে এসএমএস ও ওয়েবসাইটে ফল জানার পদ্ধতি বদলে গেছে। পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নিয়মে ফল জানার পদ্ধতি বদলে গেছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৫২.১২ শতাংশে নেমে এসেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী। প্রায় আড়াই মাসের অপেক্ষার অবসান ঘটে এই ফল প্রকাশের মাধ্যমে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৬ সালের এইচএসসি ফল প্রকাশিত হয়েছে, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ
- 📌 জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী
- 📌 ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থীর ফল প্রকাশের মাধ্যমে অপেক্ষা শেষ
- 📌 ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষা ৮ আগস্টে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রামসহ কিছু বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত ও পরে নেওয়া হয়
- 📌 ফল প্রকাশের অনুষ্ঠান উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে ফলাফল পাওয়া যাবে
- 📌 এসএমএস পাঠানোর নতুন নম্বর: ১৬১৪০ (পূর্বের ১৬২২২ থেকে পরিবর্তন)
- 📌 পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে
📰 বিস্তারিত
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ফলাফল সংগ্রহের জন্য নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করবে। শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ফলাফল প্রকাশ করবে। পরীক্ষার্থীরাও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
এছাড়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর অভিন্ন ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল জানা যাবে। এসএমএস পাঠানোর নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার পরীক্ষার্থীরা ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফলাফল জানতে পারবেন। আগের বছরগুলোতে ব্যবহৃত ১৬২২২ নম্বর বাতিল হয়ে গেছে। এসএমএস বার্তায় HSC লিখে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী ফলাফলে অসন্তুষ্ট হলে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদনপ্রক্রিয়া ও নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিস থেকে ফলাফলের কপি পাওয়া যাবে না।
"১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিস থেকে ফলাফলের কপি পাওয়া যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড (চট্টগ্রামসহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরীক্ষার্থীরা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন, পরীক্ষার্থী মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!