📌 ২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছেন। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামান আবেদন সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ নভেম্বর রাত ১২টায় রাখেন। এইচএসসি পরীক্ষায় ৫২.১২ শতাংশ পাসের হার, জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৪০ হাজার শিক্ষার্থী
২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী ১০ লাখেরও বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছেন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান ঘোষণা করেছেন, আবেদন সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ নভেম্বর দুপুর ১২টায় রাখা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষায় ৫২.১২ শতাংশ পাসের হারের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুনর্মূল্যায়নের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছেন
- 📌 ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামান আবেদন সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ নভেম্বর রাত ১২টায় রাখেন
- 📌 এইচএসসি পরীক্ষায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পাস করেছেন
- 📌 পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৪০ হাজার শিক্ষার্থী
- 📌 পূর্বের এসএসসি পরীক্ষায় পুনর্মূল্যায়নের ফলে ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছেন। ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পাস করেছেন। এতে পাসের হার নেমে এসেছে ৫২.১২ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৪০ হাজার শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকেরও কম।
সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে। তিনি বলেছেন, “আবেদন সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনো শিক্ষার্থী বাদ না পড়ে। পূর্বের এসএসসি পরীক্ষায় পুনর্মূল্যায়নের ফলে ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন এবং ৪ হাজার ৮৫ জন ফেল থেকে পাস করেছেন। এছাড়াও ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এবং ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের নম্বর পরিবর্তন হয়েছে।”
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছিল ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন।
"আবেদন সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনো শিক্ষার্থী বাদ না পড়ে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র, ৫২.১২ শতাংশ পাসের হার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!