📌 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ বিমানবাহিনী জ্যামিতির সূত্র কাজে লাগিয়ে জার্মানির বাঁধ ধ্বংস করেছিল। স্পটলাইটের আলোর সাহায্যে বিমানটির উচ্চতা নিখুঁতভাবে মাপা হয়েছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বিমানবাহিনী জ্যামিতির একটি সূত্র ব্যবহার করে জার্মানির সুবিশাল বাঁধ ধ্বংস করেছিল। এই অভিযানের নাম ছিল 'ড্যাম বাস্টার্স'। যুদ্ধের সময় জার্মানির অস্ত্র কারখানাগুলোকে পানিতে তলিয়ে দেওয়ার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ বিমানবাহিনী জ্যামিতির সূত্র ব্যবহার করে জার্মানির বাঁধ ধ্বংস করেছিল
- 📌 অভিযানের নাম ছিল 'ড্যাম বাস্টার্স' এবং এটি হয়েছিল ১৯৪৩ সালে
- 📌 বিমানটির উচ্চতা মাপার জন্য স্পটলাইটের আলোর সাহায্য নেওয়া হয়েছিল
- 📌 আলো দুটি পানির ওপর এক বিন্দুতে মিলে গেলেই বিমানটি ঠিক ৬০ ফুট উচ্চতায় ছিল বলে ধরে নেওয়া হতো
📰 বিস্তারিত
১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ব্রিটিশ বিমানবাহিনী একটি সাহসী অভিযানের পরিকল্পনা করে। এই অভিযানের নাম ছিল 'ড্যাম বাস্টার্স'। উদ্দেশ্য ছিল জার্মানির সুবিশাল পানির বাঁধগুলো ধ্বংস করা, যাতে তাদের অস্ত্র কারখানাগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। কিন্তু সাধারণ বোমা ফেললে পানির তোড়ে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হতো। তাই প্রকৌশলীরা বিশেষ ধরনের বাউন্সিং বোমা তৈরি করেন।
এই বোমার সফলতার জন্য বিমানটিকে পানির ঠিক ৬০ ফুট ওপর দিয়ে উড়তে হতো। কিন্তু তৎকালীন যুদ্ধবিমানের অ্যালটিমিটার রাতে এত নিখুঁতভাবে উচ্চতা মাপতে পারত না। তখন বিজ্ঞানীরা জ্যামিতির একটি সূত্র প্রয়োগ করেন। বিমানের নাক এবং লেজে দুটি স্পটলাইট বসানো হয়। আলো দুটিকে এমনভাবে বাঁকিয়ে দেওয়া হয় যেন বিমানটি ঠিক ৬০ ফুট উচ্চতায় থাকলেই আলো দুটি পানির ওপর এক বিন্দুতে মিলে যায়।
রাতের আঁধারে বিমানে বসে পাইলট যখন দেখতেন পানির ওপর আলো দুটি এক বিন্দুতে মিলে গেছে, তখন তিনি বুঝতে পারতেন বিমানটি ঠিক ৬০ ফুট উচ্চতায় আছে। এরপর তিনি বোমা ফেলতেন। এই জ্যামিতিক ট্রিকের ফলে অভিযানটি সফল হয়েছিল।
"জ্যামিতির সূত্র প্রয়োগ করে আমরা এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছি, যা বিমানের উচ্চতা নিখুঁতভাবে মাপতে সাহায্য করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জার্মানি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর প্রকৌশলীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ ফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!