📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দরিদ্র পরিবারের চার শিক্ষার্থীর স্বপ্নপূরণ: এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জনের গল্প

দরিদ্র পরিবারের চার শিক্ষার্থীর স্বপ্নপূরণ: এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জনের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অভাবের সংসারে থেকেও এসএসসিতে চার শিক্ষার্থীর অসাধারণ সাফল্য। মা-বাবার কষ্ট দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা জিপিএ-৫ পেয়েছে। উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থাকলেও অর্থাভাবে সেই স্বপ্নপূরণ নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।

অভাবের সংসারে থেকেও নিজেদের মেধা আর অধ্যবসায় দিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় চার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তাদের জীবনের গল্প শুধু অনুপ্রেরণাই নয়, বরং দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। প্রথম আলোর বিশেষ আয়োজনে তুলে ধরা হয়েছে তাদের সাফল্যের গল্প।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভাবের সংসারে থেকেও এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন চার শিক্ষার্থী
  • 📌 শারমিন আক্তার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু কলেজের খরচ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন
  • 📌 সুসমিতা রানী মাহাতো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর পরিবারের সদস্য, উচ্চমাধ্যমিকে পড়ালেখার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন
  • 📌 দিপ্ত চন্দ্র রায় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা বাবার পক্ষে কলেজের খরচ জোগানো কঠিন
  • 📌 চার শিক্ষার্থীর প্রত্যেকেই নিজেদের পরিবারের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও পড়াশোনায় মনোনিবেশ করেছেন

📰 বিস্তারিত

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের শারমিন আক্তার অভাবের সংসারে থেকেও ইকরচালী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তার বাবা সিরাজুল ইসলাম দিনমজুর এবং মা মনজিলা বেগম গৃহিণী। পাঁচ সদস্যের পরিবারে তাদের বসতভিটা ও ২০ শতক আবাদি জমি ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ নেই। নিজেদের জমিতে চাষাবাদ করেও সংসারের তিন বেলা খাবার জোটে না। অন্যের জমিতে দিনমজুরি করে সংসার চালান তার বাবা। শারমিন নিজের পড়ার খরচ জোগাতে গ্রামের শিশুদের পড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি চিকিৎসক হতে চাই। কিন্তু কলেজে পড়ানোর মতো সামর্থ্য আমার বাবার নেই।’

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের ভুইয়ট গ্রামের সুসমিতা রানী মাহাতো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর পরিবারের সদস্য। তিনি ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছেন। তার মা শিল্পী রানী মাহাতো তাকে অবলম্বন করে পড়ালেখা চালিয়ে গেছেন। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে মায়ের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন সুসমিতা। তার পরিবারের সম্বল বলতে দাদার সামান্য আবাদি জমি, যা তার কাকা অনিল চন্দ্র মাহাতো চাষাবাদ করেন। সেই জমিতেই সংসারের সবার কোনোমতে দিন চলে। সুসমিতা বলেন, ‘উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভালো পড়ালেখা করে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই। কিন্তু পড়ালেখার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে সবাই।’

নীলফামারী জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের ডাঙাপাড়া গ্রামের দিপ্ত চন্দ্র রায় নীলফামারী কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসিতে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তিনি চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চান। কিন্তু অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা তার বাবা দ্বিজেন্দ্র নাথ রায়ের পক্ষে ছেলেকে ভালো কলেজে পড়ানোর খরচ জোগানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দিপ্ত বলেন, ‘আমি একজন চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই। এ জন্য ঢাকার নটর ডেম কলেজে ভর্তি হতে চাই। কিন্তু আমার বাবার সে সামর্থ্য নেই।’

‘শারমিন দরিদ্র পরিবারের মেয়ে হলেও অদম্য মেধাবী। সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে সে আরও ভালো কিছু করতে পারবে।’ — বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শারমিন আক্তার, সুসমিতা রানী মাহাতো, দিপ্ত চন্দ্র রায়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন শিক্ষার্থী, ২০ শতক জমি, জিপিএ-৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖