📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদযাপনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বক্তব্য রাখেন। আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদযাপিত হয়। নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন গেস্ট অব অনার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মূল নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, সংবিধান প্রণয়নে 'উই দ্য পিপল' বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছিল, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।
- 📌 অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক ব্যবস্থা, ক্ষমতার পৃথককরণ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা হয়।
- 📌 সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকরামুল হক।
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনজীবী, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা।
📰 বিস্তারিত
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী পর্বে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আইনমন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের তুলনামূলক আলোচনার প্রস্তাব দেন, বিশেষ করে বিচারিক পর্যালোচনা, ক্ষমতার পৃথককরণ ও মৌলিক অধিকার বিষয়ে। তিনি বলেন, সংবিধান ও সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্বাগত বক্তব্যে সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ক্ষমতার পৃথককরণ, আইনের শাসন এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা এ সংবিধানের মূল নীতিগুলো। এসব নীতি বিশ্বব্যাপী সাংবিধানিক চিন্তা ও চর্চায় প্রভাব ফেলেছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ১৭৮৭ সালের ফিলাডেলফিয়ায় প্রণীত হয়েছিল। তিনি বলেন, সংবিধান প্রণয়নে প্রতিনিধিরা ক্ষমতার পৃথককরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রাখেন, যাতে কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ক্ষমতা দখল করতে না পারে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ১৭ সেপ্টেম্বর কনস্টিটিউশন ডে উদ্যাপিত হয়, যা দেশটির সাংবিধানিক ঐতিহ্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে স্মরণ করে তোলে।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে 'ইউএস কনস্টিটিউশন' বিষয়ে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক ব্যবস্থা, ক্ষমতার পৃথককরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সাংবিধানিক অধিকার এবং দুই দেশের সাংবিধানিক অভিজ্ঞতার তুলনামূলক দিক নিয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষক, আইনজীবী, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, আইন ও বিচার অঙ্গনের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
"যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের তুলনামূলক আলোচনা করা যেতে পারে।"
"সংবিধান প্রণয়নে প্রতিনিধিরা ক্ষমতার পৃথককরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রাখেন, যাতে কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ক্ষমতা দখল করতে না পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন, মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম, ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকরামুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০:০০ (সকাল), ১৭ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!