📌 চুয়াডাঙ্গায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নতুন বেতন সংশোধনের নামে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শিক্ষকদের টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষকরা। শিক্ষা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে তাদের দপ্তর থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয় না
চুয়াডাঙ্গা জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নতুন বেতন সংশোধনের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের জানান, উপজেলার বিভিন্ন ক্লাস্টারের দায়িত্বে থাকা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা ফোন করে শিক্ষকদের প্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের চাপ দিচ্ছেন। শিক্ষকদের দাবি, এই অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্য নির্দিষ্ট শিক্ষক নেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় শিক্ষকদের নতুন বেতন সংশোধনের নামে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শিক্ষকদের টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ
- 📌 শিক্ষকদের দাবি, সংগৃহীত অর্থ নির্দিষ্ট নেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে
- 📌 শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা তাসলিমা নাসরিন বলেছেন, পে ফিক্সেশনের কাজ শিক্ষকদের নিজস্ব দায়িত্ব
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নতুন বেতন সংশোধনের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের জানান, উপজেলার বিভিন্ন ক্লাস্টারের দায়িত্বে থাকা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা ফোন করে শিক্ষকদের প্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের চাপ দিচ্ছেন। শিক্ষকদের দাবি, এই অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্য নির্দিষ্ট শিক্ষক নেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষকদের ভাষ্য, নতুন বেতন সংশোধনের জন্য কোনো অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অনেক শিক্ষক নিজেরাই এই কাজ সম্পন্ন করেছেন।
শিক্ষকদের আরও জানান, হিসাবরক্ষণ অফিস ও ডেটা এন্ট্রির খরচের কথা বলে টাকা দাবি করায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, পে ফিক্সেশনের নামে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে কোনো সরকারি নির্দেশনা রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। শিক্ষকদের জানান, পে ফিক্সেশনের নামে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা তাসলিমা নাসরিন বলেছেন, ‘পে ফিক্সেশনের কাজ শিক্ষকদের নিজেদেরই করার কথা। কয়েকজন শিক্ষক একসঙ্গে বসে নিজেরাই এ কাজ করছেন। কাজ শেষে প্রয়োজনীয় ফাইল তৈরি করে বিদ্যালয়ের মাধ্যমে আমার দপ্তরে জমা দেওয়া হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘পে ফিক্সেশনের জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা-ও আমার জানা নেই। আমার দপ্তর থেকে এ ধরনের কাজের জন্য কোনো টাকা নেওয়া হয় না। তাই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারছি না।’
"পে ফিক্সেশনের কাজ শিক্ষকদের নিজেদেরই করার কথা। আমার দপ্তর থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয় না"
এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। শিক্ষকদের দাবি, পে ফিক্সেশনের নামে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত। তারা জানতে চেয়েছেন, সংগৃহীত অর্থ কোথায় যাচ্ছে এবং এর সঙ্গে কোনো কর্মকর্তা জড়িত কি না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা, চুয়াডাঙ্গা জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লায়লা তাসলিমা নাসরিন (উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা), অহীন্দ্র কুমার (জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা), শিক্ষকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ থেকে ৩০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!