📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের ভিপি রিপুল চাকমাকে পিটিয়ে বের করার হুমকি দিয়েছেন ছাত্রদল নেতা নাছিম উদ্দিন। ৩১৩ নম্বর কক্ষে ঘটা ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কের পর হুমকি উঠে। অন্যদিকে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেয়েছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের সহসভাপতি (ভিপি) রিপুল চাকমাকে পিটিয়ে হল থেকে বের করার হুমকি দিয়েছেন ছাত্রদল নেতা নাছিম উদ্দিন। গত সোমবার রাতে হলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে ঘটা ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কের পর এই হুমকি উঠে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হুমকির ঘটনা: ছাত্রদল নেতা নাছিম উদ্দিন ভিপি রিপুল চাকমাকে বলেছেন, ‘চাকসুর মেয়াদ শেষ হলে পিটিয়ে বের করে দেব’
- 📌 ৩১৩ নম্বর কক্ষ: অবৈধ শিক্ষার্থী থাকার অভিযোগে হল প্রশাসন কক্ষে যান, কিন্তু কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি
- 📌 সিট বিতরণের বিরোধ: ভিপি দাবি, ৩১৩ নম্বর কক্ষে পাঁচটি সিট বরাদ্দ করা হয়েছে, যেখানে চারটি হওয়া উচিত
- 📌 রাষ্ট্রপতির সম্মতি: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার রাতে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে অবৈধ শিক্ষার্থী থাকার অভিযোগ পেয়ে হল সংসদের সদস্যরা সেখানে যান। হলের সিনিয়র আবাসিক শিক্ষক ড. মো. নূরে আলমসহ কক্ষ পরিদর্শন করেন। তবে কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা জানান, তারা অতিথি ছিলেন এবং ঘুরতে এসেছিলেন। কথা-কাটাকাটির পর ছাত্রদল নেতা নাছিম উদ্দিন ভিপি রিপুল চাকমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘চাকসুর মেয়াদ শেষ হলে পিটিয়ে বের করে দেব’।
রিপুল চাকমা জানান, গত রোববার একজন শিক্ষার্থী হলে আসেন এবং ৩১৩ নম্বর কক্ষে উঠেছেন বলে জানান। তিনি গ্রুপে কথা বলেন এবং সিনিয়র শিক্ষকসহ কক্ষে যান। সেখানে নাছিম উদ্দিন তাঁকে হুমকি দেন। তিনি আরও বলেন, ‘৩১৩ নম্বর কক্ষে আগে থেকেই সিট বিতরণে ঝামেলা রয়েছে। এখানে বিশেষ বিবেচনায় সিট দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক রুমে চারটি সিট থাকলেও তাঁরা পাঁচটি সিট নিয়েছে। আমাদের প্রার্থনা রুম থেকে একটি সিট নিয়ে সেখানে দিয়েছে’।
নাছিম উদ্দিনের দাবি, তিনি রিপুল চাকমাকে হুমকি দিয়েছেন কারণ তিনি খারাপ ব্যবহার করছিলেন। তিনি বলেন, ‘তাঁকে এই অধিকার কেউ দেয়নি। একজন শিক্ষার্থীকে বাজে ভাষায় কিছু বলতে পারেন না’। তবে রিপুল চাকমা নাছিমের মাকে নিয়ে বাজে ভাষায় কথা বলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
হলের সিনিয়র আবাসিক শিক্ষক ড. মো. নূরে আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি ৩১৩ নম্বর কক্ষে যান। কিন্তু রুমে থাকা শিক্ষার্থীরা জানান, কোনো অবৈধ শিক্ষার্থী নেই। তারা অতিথি ছিলেন। কথা-কাটাকাটির পর ঘটনাটি ঘটে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হলের কক্ষে অভিযান চালানো হয়, কিন্তু কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব বলে জানান।
"আসলে বিষয়টি হিট অব দ্যা মোমেন্ট ছিল। যখন রিপুল চাকমা খারাপ ব্যবহার করছিলেন, তখন বলেছি আর কি। তাঁকে তো এই অধিকার কেউ দেয়নি। সে ভিপি হোক বা যাই হোক, একজন শিক্ষার্থীকে বাজে ভাষায় কিছু বলতে পারেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাছিম উদ্দিন, রিপুল চাকমা, ড. মো. নূরে আলম, ড. কামরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১৩ (কক্ষ নম্বর), ২৮ (দিন), ৭ (মাস), ১৮ (জানুয়ারি), ১৪ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!