📌 আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো নবীনবরণ-২০২৬। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন
আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত আশা টাওয়ারে নবীনবরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশের সঙ্গে পরিচিতি লাভ, উচ্চশিক্ষার পথে অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মাদ ফারুক
- 📌 অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য এস এম রেজাউল করিম
- 📌 শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম হেলাল উজ জামান শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য নিষ্ঠা ও সততার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন
- 📌 সরকার প্রায় ৩২ কোটি বই ছাপানোর পরিকল্পনা করেছে বলে জানান সচিব আবদুল খালেক
📰 বিস্তারিত
আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে রেজিস্ট্রার মো. জাফর সিদ্দিক স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, ডিন ও প্রক্টররা নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, সময়ানুবর্তিতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসরণের আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম হেলাল উজ জামান তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবনে নিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত সাফল্য ভালো ফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলির সমন্বয়েই অর্জিত হয়।
প্রধান অতিথি আবদুল খালেক তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি জানান, সরকার প্রায় ৩২ কোটি বই ছাপানোর পরিকল্পনা করেছে। এছাড়া মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
‘বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আমরা শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তনের প্ল্যান করেছিলাম এবং তা বাস্তবায়ন করেছি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলার এক্সপার্টদের সহায়তায় সরকার প্রায় ৩২ কোটি বই ছাপাতে যাচ্ছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্যামলী, ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য এস এম রেজাউল করিম, সচিব আবদুল খালেক, অধ্যাপক মোহাম্মাদ ফারুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ কোটি (বই), ৪০ লাখ (শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!