📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে এবং নিয়োগপত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এখনো ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। তিনি বলেন, এই ৮১৭ জন শিক্ষকের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই বাকি
- 📌 ১ অক্টোবর পর্যন্ত তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া চলবে
- 📌 অনেকে ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন, যোগাযোগ করা যাচ্ছে না
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেবেন
- 📌 গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন প্রার্থীদের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাদের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাইয়ের পর নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। যাচাইয়ের অগ্রগতি পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এখনো ৮১৭ জনের তথ্য বাকি রয়েছে। কারও ঠিকানা বা প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করা হবে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। এরপর চূড়ান্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকটি গণমাধ্যমে এমন কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যাতে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে আমি মনে করছি। কারণ, গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও পরে তাঁরা নিয়োগপত্র পেয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। ফলে যাঁরা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
"কয়েকটি গণমাধ্যমে এমন কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যাতে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে আমি মনে করছি। কারণ, গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও পরে তাঁরা নিয়োগপত্র পেয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১৭ জন শিক্ষক, ১ অক্টোবর, ২৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!