📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বব্যাংক: বাংলাদেশে ৫ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি শ্রমিক অনানুষ্ঠানিক খাতে জড়িত, কর্মসংস্থান ব্যবস্থায় জরুরি সংস্কার দরকার

বিশ্বব্যাংক: বাংলাদেশে ৫ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি শ্রমিক অনানুষ্ঠানিক খাতে জড়িত, কর্মসংস্থান ব্যবস্থায় জরুরি সংস্কার দরকার

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে বাংলাদেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ শ্রমশক্তি (৫ কোটি ৮০ লাখ) অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের অভাব, নারীদের অংশগ্রহণের ঘাটতি এবং পেনশন ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে সতর্কতা জানানো হয়েছে

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ শ্রমশক্তি — অর্থাৎ ৫ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ — অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক কাজে জড়িত থাকার তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৮৪ শতাংশ শ্রমশক্তি অনানুষ্ঠানিক খাতে**: বাংলাদেশের ৫ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত, যা দেশের শ্রমবাজারের ৮৪ শতাংশ।
  • 📌 **স্নাতকদের ৪৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক কাজে**: বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন করেও আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান পাচ্ছেন না প্রায় ৪৪ শতাংশ স্নাতক।
  • 📌 **২০৪৫ সালের মধ্যে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর শীর্ষে পৌঁছানোর আগে সময় সংকুচিত**: বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাত ২০৪৫ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর আগে প্রায় দুই দশক বাকি রয়েছে।
  • 📌 **২০৫১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বার্ধক্যপ্রবণ**: দক্ষিণ এশিয়ার মতো বাংলাদেশেও ২০৫১ সালের মধ্যে জনসংখ্যার ১৪ শতাংশের বয়স হবে ৬৫ বছর বা তার বেশি।
  • 📌 **পেনশন ব্যবস্থার দুর্বলতা**: দক্ষিণ এশিয়ার কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মাত্র ১৭ শতাংশ পেনশন ব্যবস্থায় অবদান রাখে, আর মাত্র ১০ শতাংশ প্রবীণ পেনশন পায়।
  • 📌 **বিশ্বব্যাংকের সুপারিশ**: আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি নারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের বাধা দূর করতে হবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে অর্থায়ন বৃদ্ধি করতে হবে এবং প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও আয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

📰 বিস্তারিত

বিশ্বব্যাংকের ‘ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ ইন সাউথ এশিয়া: ফ্রম টেইলউইন্ডস টু হেডউইন্ডস ফর ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগানোর সুযোগ হারাচ্ছে। বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, শ্রমশক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ কম এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে ঘাটতি রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুট বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো দ্রুত বার্ধক্যের দিকে এগোচ্ছে। তাই এখনই উন্নত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এখনো অনুকূল বয়স কাঠামোর সুবিধাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেম বলেছেন, উন্নত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের বাধা দূর করতে হবে। পাশাপাশি প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা ও আয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মাত্র ১৭ শতাংশ পেনশন ব্যবস্থায় অবদান রাখে এবং মাত্র ১০ শতাংশ প্রবীণ পেনশন সুবিধা পায়।

"দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো দ্রুত বার্ধক্যের দিকে এগোচ্ছে। তাই এখনই উন্নত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রয়োজন।"

— জোহানেস জুট, বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোহানেস জুট (বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট), জ্যঁ পেম (বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৪ শতাংশ (অনানুষ্ঠানিক শ্রমশক্তি), ৫ কোটি ৮০ লাখ (অনানুষ্ঠানিক শ্রমিক), ৪৪ শতাংশ (স্নাতকদের অনানুষ্ঠানিক কাজে জড়িত), ১৪ শতাংশ (৬৫ বছরের বেশি জনসংখ্যা), ১৭ শতাংশ (পেনশন অবদানকারী), ১০ শতাংশ (পেনশন পাওয়ার প্রবীণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖