📌 প্রতিযোগিতা কমিশনের গত দুই অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। আইন অনুযায়ী প্রতি অর্থবছর শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি। কমিশনের চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, প্রতিবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের (বিসিসি) গত দুই অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনটি ছিল ২০২২-২৩ অর্থবছরের, যা প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৪ সালের ২০ মে। এরপর ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কোনো বার্ষিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে যুক্ত হয়নি। ফলে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত কমিশনের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ দৃশ্যমান বার্ষিক প্রতিবেদনটি ছিল ২০২২-২৩ অর্থবছরের।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতিযোগিতা কমিশনের গত দুই অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি ওয়েবসাইটে
- 📌 সর্বশেষ প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন ছিল ২০২২-২৩ অর্থবছরের, প্রকাশিত হয়েছিল ২০ মে ২০২৪ তারিখে
- 📌 প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী প্রতি অর্থবছর শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে
- 📌 কমিশনের চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, প্রতিবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং দ্রুতই প্রকাশ করা হবে
📰 বিস্তারিত
প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রধান দায়িত্ব হলো বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা, একচেটিয়া ব্যবসা ও যোগসাজশ প্রতিরোধ করা এবং প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তবে কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে গত দুই অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। আইন অনুযায়ী, প্রতি অর্থবছর শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনকে ওই অর্থবছরের কার্যাবলি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হয়। পরে রাষ্ট্রপতি প্রতিবেদনটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রতিবেদন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রতিবেদন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে কমিশনের ওয়েবসাইটে এই দুই অর্থবছরের কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। কমিশনের চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান জানান, প্রতিবেদনটি নতুন আঙ্গিকে তৈরি করা হচ্ছে এবং দ্রুতই প্রকাশ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী কর্মকর্তাদের চলে যাওয়ায় প্রতিবেদন গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় লেগেছে।
কমিশনের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনটি ছিল ২০২২-২৩ অর্থবছরের, যা প্রকাশিত হয়েছিল ২০২৪ সালের ২০ মে। ওই প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে হস্তান্তরের প্রমাণ পাওয়া যায়, যখন ২০২৪ সালের ৯ মে তৎকালীন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিবেদনটি হস্তান্তর করেছিলেন। এরপর আর সেই নজির দেখা যায়নি।
"প্রতিবেদনটি প্রক্রিয়াধীন আছে এবং দ্রুতই প্রকাশ করা হবে। বিলম্বের কারণ হিসেবে আমরা প্রতিবেদনটি নতুন আঙ্গিকে তৈরি করছি এবং পূর্ববর্তী কর্মকর্তাদের চলে যাওয়ায় এটি গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় লেগেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ এইচ এম আহসান (প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান)
- 👥 সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি: আহসানুল ইসলাম টিটু (তৎকালীন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ বছর, ২৩ অর্থবছর, ২০ মে ২০২৪, ৯ মে ২০২৪, ধারা ৩৯, ৯০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!