📌 বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা নীলফামারী ও মাগুরার দুই টেক্সটাইল মিল পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ যথাক্রমে দারোয়ানী ও মাগুরা মিল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) অধীনে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা নীলফামারী ও মাগুরার দুই টেক্সটাইল মিল পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) বৈঠকে মিল দুটির হস্তান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অধীনস্থ চরকা টেক্সটাইল লিমিটেড যথাক্রমে দারোয়ানী ও মাগুরা মিল পরিচালনা করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিটিএমসির অধীনে থাকা দুই বন্ধ টেক্সটাইল মিল পুনরুজ্জীবিত করতে পিপিপি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- 📌 দারোয়ানী মিল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড।
- 📌 মাগুরা মিল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চরকা টেক্সটাইল লিমিটেড।
- 📌 মিল দুটির পরিচালনার মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ বছর।
- 📌 দারোয়ানী মিলের জন্য বিটিএমসিকে প্রদেয় সাইনিং মানি ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
- 📌 মাগুরা মিলের জন্য বিটিএমসিকে প্রদেয় সাইনিং মানি ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
- 📌 প্রতিটি মিলেই আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) অধীনে থাকা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা নীলফামারীর দারোয়ানী ও মাগুরা টেক্সটাইল মিল পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) চুক্তির মাধ্যমে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) বৈঠকে মিল দুটির হস্তান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
দারোয়ানী মিল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি মিলটিতে প্রায় ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সুতা ও বস্ত্র কারখানা গড়ে তুলবে। এতে ওই অঞ্চলে সরাসরি অন্তত তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিটিএমসিকে প্রদেয় সাইনিং মানি হিসেবে ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড বিটিএমসিকে ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেবে। তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ড শেষে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে ১২ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৭ টাকা বিটিএমসিকে চুক্তি ফি দেবে।
অপরদিকে, মাগুরা মিল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চরকা টেক্সটাইল লিমিটেড। মিলটি আগামী ৩০ বছর পরিচালনার সুযোগ পাবে। চরকা টেক্সটাইল বিটিএমসিকে সাইনিং মানি হিসেবে এককালীন ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা দেবে। তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ড শেষে বিটিএমসি বার্ষিক ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা কন্টাক্ট ফি পাবে।
জানা গেছে, বিটিএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ বা অলাভজনক ২৫টি কারখানার মধ্যে ১৬টি মিলকে পিপিপি পদ্ধতিতে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। এর আগে চারটি মিল বেসরকারি অংশীদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নীলফামারী ও মাগুরার দুই মিল যুক্ত হওয়ায় এ সংখ্যা দাঁড়াল ছয়টিতে।
"আমরা নেদারল্যান্ডসের একটি কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ নিয়ে আসব। সেখানে পরিবেশবান্ধব কারখানা গড়ে এলাকার উন্নয়ন করব। সরকারের সিদ্ধান্তের পর আমরা দ্রুত কাজ শুরু করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী ও মাগুরা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৌহিদ বিন আবদুস সালাম (ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেডের এমডি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি মিল, ৩০ বছর মেয়াদ, ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, ৩ হাজার কর্মসংস্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!