📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঠাকুরগাঁওতে কৃষকদের লোকসান: ফুলকপি-বাঁধাকপির দামে পড়েছে মাঠ থেকে বাজারে ৩-৪ গুণ ব্যবধান

ঠাকুরগাঁওতে কৃষকদের লোকসান: ফুলকপি-বাঁধাকপির দামে পড়েছে মাঠ থেকে বাজারে ৩-৪ গুণ ব্যবধান

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঠাকুরগাঁও জেলায় ফুলকপি ও বাঁধাকপির উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না কৃষকরা। মাঠে এক মণ কপির দাম ৪০০ টাকা হলেও খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচের চেয়ে কম আয় হওয়ায় কৃষকরা চাষ ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলার কৃষকরা ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষে লোকসান হচ্ছেন। উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না তারা। মাঠে এক মণ (৪৩ কেজি) কপির দাম মাত্র ৪০০ টাকা হলেও খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই দামের ব্যবধানে কৃষকদের চাষাবাদে আগ্রহ কমে যাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন আগাম কপি তোলার মৌসুম চলছে, কিন্তু বাজারে ক্রেতা না পাওয়ায় কৃষকরা বিপর্যস্ত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঠাকুরগাঁও জেলায় এক মণ (৪৩ কেজি) ফুলকপি-বাঁধাকপির দাম মাঠে মাত্র ৪০০ টাকা, কিন্তু খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে
  • 📌 সদর উপজেলার কৃষক মনসুর আলী ২ বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করলেও উৎপাদন খরচ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হলেও বিক্রি থেকে ৮০ হাজার টাকার বেশি আয় সম্ভব নয়
  • 📌 হরিপুর উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলামের ২.৫ বিঘা জমির বাঁধাকপি বিক্রি করতে পারছেন না, উৎপাদন উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে চাষাবাদের খরচ বেড়েছে
  • 📌 কৃষকদের দাবি: প্রতি কেজি কপি ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রির সুযোগ নিশ্চিত হলে লোকসানের চাপ কমবে
  • 📌 জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম বলেন: অনুকূল আবহাওয়ায় বেশি চাষের কারণে দাম কমেছে, কিন্তু পরিস্থিতি সাময়িক

📰 বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁও জেলার কৃষকরা ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষে বিপর্যস্ত। সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি এলাকার কৃষক মনসুর আলী বলেন, ‘আমরা মাঠে ফসল ফলাই, কিন্তু দাম নির্ধারণের সময় আমাদের কোনো হাত থাকে না। মণপ্রতি ৪০০ টাকা পেলে শ্রমিক খরচও ওঠে না।’ তিনি দুই বিঘা জমিতে ফুলকপির চাষ করেছেন। জমি তৈরি থেকে ফসল উৎপাদন পর্যন্ত তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে সবজি বিক্রি করে তাঁর আয় ৮০ হাজার টাকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

শাহাবুদ্দিন নামের আরেক কৃষক জানান, এক বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ হাজার চারা লাগাতে হয়। শুধু চারা কিনতেই খরচ পড়ে প্রায় ২০ হাজার টাকা। পাঁচবার সার প্রয়োগ, চারবার নিড়ানি ও অন্তত ১০ বার সেচ দিতে হয়। রোগবালাই দমনেও বাড়তি খরচ রয়েছে। ফসল তোলার সময় প্রতিদিন ৫০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিক নিতে হচ্ছে। কিন্তু বিক্রির দাম কম হওয়ায় ফসল কাটার সিদ্ধান্ত নিতেও হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।

হরিপুর উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলাম আড়াই বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় ফসল বিক্রি করতে পারছেন না। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও এলাকার আকতারুজ্জামানও একই অবস্থায়। উৎপাদন উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির চাপে চাষাবাদের খরচ বেড়েছে, অথচ উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে কম দামে। কৃষকদের মতে, সংকট শুধু কম দামের নয়, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের দুর্বল ব্যবস্থাও এর জন্য দায়ী।

"আমরা মাঠে ফসল ফলাই, কিন্তু দাম নির্ধারণের সময় আমাদের কোনো হাত থাকে না। মণপ্রতি ৪০০ টাকা পেলে শ্রমিক খরচই ওঠে না।"

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘এবার অনুকূল আবহাওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আগাম বাঁধাকপি ও ফুলকপির চাষ হয়েছে। একসঙ্গে বেশি পরিমাণ সবজি বাজারে আসায় দাম কমেছে। তবে পরিস্থিতি সাময়িক। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এবং শীত বাড়লে দাম বাড়তে পারে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেলা (বেগুনবাড়ি, হরিপুর, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনসুর আলী, শাহাবুদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ কেজি (মণ), ৪০০ টাকা (মণপ্রতি দাম), ৩০-৪০ টাকা (খুচরা দাম), ১ লাখ ২০ হাজার টাকা (উৎপাদন খরচ), ৮০ হাজার টাকা (আয় সম্ভাবনা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖