📌 বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসন ও দক্ষতা ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধিতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয় এবং অনলাইনভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব উঠে এসেছে রাজধানীর একটি গোলটেবিল বৈঠকে
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়াকে অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসন ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত ‘নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশফেরতদের পুনঃএকত্রীকরণ: বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা উঠে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসন ও দক্ষতা ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধির দাবি উঠেছে বৈঠকে
- 📌 বিদেশে কর্মী প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
- 📌 অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে জেলাভিত্তিক প্রচারাভিযান চালানোর পরিকল্পনা
- 📌 প্রবাসী কার্ড চালুর বিষয়টি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে চূড়ান্ত করা হবে
- 📌 বিদেশফেরত কর্মীদের আগের পেশায় ফিরতে সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জানান, বিদেশে কর্মী প্রেরণের পুরো প্রক্রিয়াকে অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বৈধতা, বিদেশে কর্মীর চাহিদাসহ অন্যান্য তথ্য ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা আনা হবে। তিনি বলেন, অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়া ঠেকাতে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে সমাজের প্রতিটি স্তরকে যুক্ত করতে হবে।
অবৈধ পথে বিদেশে কর্মী প্রেরণের সঙ্গে জড়িত চক্র চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ চলছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মাদারীপুরসহ কয়েকটি জেলায় আগামী এক মাস ব্যাপক প্রচার চালানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বিদেশে দক্ষ কর্মী প্রেরণের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদেশি নিয়োগকর্তারা যে ধরনের কর্মীর চাহিদা দেন, অনেক ক্ষেত্রে সেই ধরনের দক্ষ কর্মী পাঠানো হয় না। এতে কর্মী ও নিয়োগকর্তা উভয়েই সমস্যায় পড়েন।
বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তাঁদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় বৈঠকে। ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন) শরিফুল ইসলাম হাসান ধারণাপত্র উপস্থাপন করে জানান, বিদেশফেরত ব্যক্তিদের প্রধান সমস্যা হলো সঞ্চয় না থাকা এবং বিদেশে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ না পাওয়া।
"বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে তাঁদের জীবিকা নির্বাহের সমস্যা অব্যাহত থাকবে।"
বৈঠকে উপস্থিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রোগ্রাম ম্যানেজার নুরুল কাদের অভিবাসনকে একটি ব্যবসায়িক মডেল হিসেবে দেখে সরকার, ব্যাংক, রিক্রুটিং এজেন্সিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের স্বার্থ ও দায়িত্ব স্পষ্ট করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রতারণার শিকার হয়ে বিপুল অর্থ খরচ করে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা রোধে মানুষের মানসিকতা ও সচেতনতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!