📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীর কৃষকদের সারের জন্য হন্যে হয়ে খোঁজা, সরকারি বরাদ্দ অপ্রতুল দাবি

রাজশাহীর কৃষকদের সারের জন্য হন্যে হয়ে খোঁজা, সরকারি বরাদ্দ অপ্রতুল দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কৃষকরা সরকার নির্ধারিত দামে সার না পেয়ে হতাশ। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় বাজারে সারের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা অবশ্য সরবরাহ পর্যাপ্ত দাবি করলেও কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন ভর্তুকির সার কালোবাজারে বিক্রির কারণে দাম বেড়েছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কাজীহাটা গ্রামের কৃষক বাবলু এবার ১০ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। তাঁর জমিতে ইউরিয়া সারের প্রয়োজন হলেও স্থানীয় পরিবেশকের কাছ থেকে সার পাননি তিনি। গত মঙ্গলবার দামকুড়া বাজারের দেওপাড়া ইউনিয়নের পরিবেশকের দোকানে গিয়ে তিনি দেখেন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও তাঁকে মাত্র ২০ কেজি সার দেওয়া হচ্ছে। অভিমানে তিনি সেই সার না নিয়েই ফিরে আসেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কৃষক বাবলু ইউরিয়া সারের জন্য স্থানীয় পরিবেশকের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে হতাশ হন
  • 📌 রাজশাহী জেলায় আগস্ট মাসের জন্য ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার ৫৭৪ মেট্রিক টন, যার মধ্যে পাওয়া গেছে মাত্র ৪ হাজার ৭২৪ মেট্রিক টন
  • 📌 রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ মেট্রিক টন, কিন্তু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল মাত্র ৭১ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন
  • 📌 রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, সরকারি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে

📰 বিস্তারিত

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাজীহাটা গ্রামের কৃষক বাবলু এবার ১০ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। তাঁর জমিতে ইউরিয়া সারের প্রয়োজন হলেও স্থানীয় পরিবেশকের কাছ থেকে সার পাননি তিনি। গত মঙ্গলবার দামকুড়া বাজারের দেওপাড়া ইউনিয়নের পরিবেশকের দোকানে গিয়ে তিনি দেখেন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও তাঁকে মাত্র ২০ কেজি সার দেওয়া হচ্ছে। অভিমানে তিনি সেই সার না নিয়েই ফিরে আসেন।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, রাজশাহী জেলায় চলতি আগস্ট মাসের জন্য ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার ৫৭৪ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া গেছে মাত্র ৪ হাজার ৭২৪ মেট্রিক টন। একইভাবে ডিএপি সারের বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৬৪৭ মেট্রিক টন, যার মধ্যে পাওয়া গেছে ২ হাজার ১৮২ মেট্রিক টন। টিএসপি সারের বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৫১১ মেট্রিক টন, পাওয়া গেছে ১ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন। এমওপি সারের ক্ষেত্রে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন, পাওয়া গেছে ১ হাজার ৪৯৬ মেট্রিক টন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, সরকারি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, কোথাও বেশি দামে বিক্রি বা পাচার করা হলে সঙ্গে সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, চাহিদার তুলনায় সরকারি বরাদ্দ অপ্রতুল।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউরিয়া সারের চাহিদা দেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ মেট্রিক টন। কিন্তু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল মাত্র ৭১ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন। একইভাবে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের ক্ষেত্রেও চাহিদার তুলনায় কয়েক গুণ কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

"সরকারি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। কোথাও বেশি দামে বিক্রি বা পাচার করা হলে সঙ্গে সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী জেলা, গোদাগাড়ী উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাবলু (কৃষক), কাজী শহিদুল ইসলাম (জেলা প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ইউরিয়া সারের চাহিদা ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ মেট্রিক টন, বরাদ্দ ৭১ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖