📌 বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে শিল্পকারখানায় পালা ব্যবস্থা চালু এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্র পুনর্খননের মাধ্যমে জ্বালানি সংকট সমাধানের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় স্বল্পমেয়াদি কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে রয়েছে শিল্পকারখানায় পালাভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করা এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের মতো অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বন্ধ থাকা ফার্নেস তেলনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু এবং বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় পালাভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
- 📌 ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে সরকারকে ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান
- 📌 বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাওনা পরিশোধে সরকারের উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন
- 📌 দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্র পুনর্খননের পরামর্শ
📰 বিস্তারিত
চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে শিল্পকারখানায় পালাভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, যেসব কারখানা রাতে চালানোর সুযোগ রয়েছে, সেগুলো দিনে বন্ধ রাখতে হবে। এর ফলে বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ করা। বিশেষজ্ঞরা জানান, ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়েছে। এছাড়া সড়কেও চাপ সৃষ্টি করছে এই রিকশাগুলো।
বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকারকে ফার্নেস তেলনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার উদ্যোগ নিতে হবে। একইসঙ্গে বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের পাওনা পরিশোধে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। এতে এসব কেন্দ্র দ্রুত উৎপাদনে যেতে পারবে। বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে আরও যেসব ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এলাকাভিত্তিক পালা ব্যবস্থা চালু করা। সাধারণত রাত ১২টার পর থেকে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য দেশের পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রে নতুন করে খনন কার্যক্রম শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদি নতুন গ্যাস পাওয়া যায়, তা সাময়িকভাবে সংকট কাটাতে সাহায্য করবে। এছাড়া স্থলভাগে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে। সিঙ্গাপুরের মতো মাতারবাড়ীকে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি হাব হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
"বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় পালাভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। এছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের মতো অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তও সরকারকে নিতে হবে।" — *আজম জে চৌধুরী, চেয়ারম্যান, ইস্ট কোস্ট গ্রুপ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহেশখালী, মাতারবাড়ী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজম জে চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: উল্লেখযোগ্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!